বাংলাদেশ রাজনীতি
ক্ষুব্ধ হয়ে ছাত্রলীগ কমিটি ভেঙে দিতে বললেন শেখ হাসিনা
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের বিভিন্ন নেতাদের কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ হয়ে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটি ভেঙে দিতে বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা গণভবনে দলের এক বৈঠকে এই নির্দেশ দিয়েছেন বলে খবর ছড়িয়েছে।
আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার ও সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভায় শনিবার ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে উপস্থিত নেতাদের সমালোচনার একপর্যায়ে ছাত্রলীগের কমিটি ভেঙে দিতে বলেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী সে সময় ছাত্রলীগের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে বিরক্তিও প্রকাশ করেন।
আওয়ামী লীগের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে বলেন, শেখ হাসিনা এমন নির্দেশ দিয়েছে বলে তিনি জেনেছেন। সভা চলাকালে ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গণভবনে উপস্থিত হয়েছিলেন। সভা শেষে তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার জন্য অপেক্ষা করলেও আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতাদের পরামর্শে আর দেখা করেননি বলে জানান তিনি।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাধারণ সম্পাদককে নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।”
সভা শেষে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার জন্য ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গণভবনে অপেক্ষা করছিলেন বলে জানা গেছে। তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলেও দেখা দেননি তিনি। উপস্থিত কেন্দ্রীয় নেতারা তখন দুজনকে গণভবন থেকে চলে যেতে বলেন।
গত বছরের ১১ ও ১২ মে ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন ছাড়াই সম্মেলন শেষ হয়। এরপর গত বছরের ৩১ জুলাই রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে সভাপতি ও গোলাম রাব্বানীকে সাধারণ সম্পাদক করে দুই বছর মেয়াদী আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়।
বাংলাদেশ রাজনীতি
ক্ষুব্ধ হয়ে ছাত্রলীগ কমিটি ভেঙে দিতে বললেন শেখ হাসিনা
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের বিভিন্ন নেতাদের কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ হয়ে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটি ভেঙে দিতে বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা গণভবনে দলের এক বৈঠকে এই নির্দেশ দিয়েছেন বলে খবর ছড়িয়েছে।
আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার ও সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভায় শনিবার ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে উপস্থিত নেতাদের সমালোচনার একপর্যায়ে ছাত্রলীগের কমিটি ভেঙে দিতে বলেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী সে সময় ছাত্রলীগের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে বিরক্তিও প্রকাশ করেন।
আওয়ামী লীগের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে বলেন, শেখ হাসিনা এমন নির্দেশ দিয়েছে বলে তিনি জেনেছেন। সভা চলাকালে ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গণভবনে উপস্থিত হয়েছিলেন। সভা শেষে তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার জন্য অপেক্ষা করলেও আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতাদের পরামর্শে আর দেখা করেননি বলে জানান তিনি।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাধারণ সম্পাদককে নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।”
সভা শেষে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার জন্য ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গণভবনে অপেক্ষা করছিলেন বলে জানা গেছে। তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলেও দেখা দেননি তিনি। উপস্থিত কেন্দ্রীয় নেতারা তখন দুজনকে গণভবন থেকে চলে যেতে বলেন।
গত বছরের ১১ ও ১২ মে ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন ছাড়াই সম্মেলন শেষ হয়। এরপর গত বছরের ৩১ জুলাই রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে সভাপতি ও গোলাম রাব্বানীকে সাধারণ সম্পাদক করে দুই বছর মেয়াদী আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের বিভিন্ন নেতাদের কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ হয়ে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটি ভেঙে দিতে বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা গণভবনে দলের এক বৈঠকে এই নির্দেশ দিয়েছেন বলে খবর ছড়িয়েছে।
আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার ও সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভায় শনিবার ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে উপস্থিত নেতাদের সমালোচনার একপর্যায়ে ছাত্রলীগের কমিটি ভেঙে দিতে বলেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী সে সময় ছাত্রলীগের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে বিরক্তিও প্রকাশ করেন।
আওয়ামী লীগের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে বলেন, শেখ হাসিনা এমন নির্দেশ দিয়েছে বলে তিনি জেনেছেন। সভা চলাকালে ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গণভবনে উপস্থিত হয়েছিলেন। সভা শেষে তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার জন্য অপেক্ষা করলেও আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতাদের পরামর্শে আর দেখা করেননি বলে জানান তিনি।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাধারণ সম্পাদককে নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।”
সভা শেষে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার জন্য ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গণভবনে অপেক্ষা করছিলেন বলে জানা গেছে। তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলেও দেখা দেননি তিনি। উপস্থিত কেন্দ্রীয় নেতারা তখন দুজনকে গণভবন থেকে চলে যেতে বলেন।
গত বছরের ১১ ও ১২ মে ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন ছাড়াই সম্মেলন শেষ হয়। এরপর গত বছরের ৩১ জুলাই রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে সভাপতি ও গোলাম রাব্বানীকে সাধারণ সম্পাদক করে দুই বছর মেয়াদী আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়।
আপনার মতামত লিখুন :