আন্তর্জাতিক
পাকিস্তানের পাঞ্জাবে আরও বর্ষণের পূর্বাভাস
৪৮ ঘণ্টায় ৭১ মৃত্যু
পাঞ্জাবের ঝিলমে সৃষ্ট বন্যার মধ্যে উদ্ধারকর্মীদের তৎপরতা। ছবি: ডন
তুমুল বর্ষণের মধ্যে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে ৪৮ ঘণ্টায় অন্তত ৭১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (পিডিএমএ) শুক্রবার আরও ১০ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করার পর বলেছে, গত ২৫ জুন থেকে শুরু হওয়া রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিতে এ পর্যন্ত পাঞ্জাবে ১২৩ জনের মৃত্যুর হয়েছে, আহত হয়েছেন ৪৬২ জন।
এদিকে রোববার থেকে পাকিস্তানের আবহাওয়া বিভাগ (পিএমডি) পাঞ্জাবসহ পাকিস্তানের অনেক এলাকায় আবারও ভারি বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে বলে জানিয়েছে ডন।
আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভারি বর্ষণ অব্যাহত থাকায় কালাবাগ ও চাশমায় সিন্ধু নদীতে বন্যার সতর্কতা জারি করেছে পিডিএমএ।
পাঞ্জাবের অনেক শহরে এরই মধ্যে প্রবল বর্ষণের কারণে দেখা দিয়েছে আকস্মিক জলাবদ্ধতা। অনেক আবাসিক এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে।
পিডিএমএ মহাপরিচালক ইরফান আলী কাথিয়া জানান, পটোহার অঞ্চলের প্লাবিত এলাকাগুলো থেকে ১ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে; এর মধ্যে ৩৯৮ জন ঝিলমে, ২০৯ জন চাকওয়ালে এবং ৪৫০ জন রাওয়ালপিন্ডিতে।
শুক্রবার বৃষ্টিজনিত কারণে লাহোর ও চিনিওটে ৩ জন, ওকারায় ২ জন এবং চাকওয়াল ও সারগোধায় একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে রেসকিউ ১১২২।
চাকওয়াল জেলায় দুইজন স্রোতে ভেসে যাওয়ার পর শুক্রবার তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অপর একজন ঘরের ছাদ ধসে পড়ে নিহত হন।
এদিকে, চাকওয়াল এলাকায় তিন দিন পরও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। ইসলামাবাদ বিদ্যুৎ সরবরাহ কোম্পানি আইইএসসিও জানায়, ৯৯টি হাই-টেনশন, ৪৮টি লো-টেনশন বৈদ্যুতিক খুঁটি এবং ৬৫টি ট্রান্সফরমার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আইইএসসিওর প্রকৌশলী ওয়াহিদ আহমেদ আব্বাসি ‘ডন’ পত্রিকাকে জানান, সম্পূর্ণ বিদ্যুৎ পুনরুদ্ধারে কমপক্ষে ৪৮ ঘণ্টা লাগবে।
পিএমডি সতর্ক করেছে, বৃষ্টিতে শহরাঞ্চলে জলাবদ্ধতা এবং পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিধস হতে পারে। বিশেষ করে ২১ থেকে ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে পাহাড়ি অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে। কোথাও কোথাও সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট জেলা ও প্রাদেশিক প্রশাসনকে পরিস্থিতি মোকাবেলায় জরুরি প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক
পাকিস্তানের পাঞ্জাবে আরও বর্ষণের পূর্বাভাস
৪৮ ঘণ্টায় ৭১ মৃত্যু
পাঞ্জাবের ঝিলমে সৃষ্ট বন্যার মধ্যে উদ্ধারকর্মীদের তৎপরতা। ছবি: ডন
তুমুল বর্ষণের মধ্যে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে ৪৮ ঘণ্টায় অন্তত ৭১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (পিডিএমএ) শুক্রবার আরও ১০ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করার পর বলেছে, গত ২৫ জুন থেকে শুরু হওয়া রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিতে এ পর্যন্ত পাঞ্জাবে ১২৩ জনের মৃত্যুর হয়েছে, আহত হয়েছেন ৪৬২ জন।
এদিকে রোববার থেকে পাকিস্তানের আবহাওয়া বিভাগ (পিএমডি) পাঞ্জাবসহ পাকিস্তানের অনেক এলাকায় আবারও ভারি বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে বলে জানিয়েছে ডন।
আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভারি বর্ষণ অব্যাহত থাকায় কালাবাগ ও চাশমায় সিন্ধু নদীতে বন্যার সতর্কতা জারি করেছে পিডিএমএ।
পাঞ্জাবের অনেক শহরে এরই মধ্যে প্রবল বর্ষণের কারণে দেখা দিয়েছে আকস্মিক জলাবদ্ধতা। অনেক আবাসিক এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে।
পিডিএমএ মহাপরিচালক ইরফান আলী কাথিয়া জানান, পটোহার অঞ্চলের প্লাবিত এলাকাগুলো থেকে ১ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে; এর মধ্যে ৩৯৮ জন ঝিলমে, ২০৯ জন চাকওয়ালে এবং ৪৫০ জন রাওয়ালপিন্ডিতে।
শুক্রবার বৃষ্টিজনিত কারণে লাহোর ও চিনিওটে ৩ জন, ওকারায় ২ জন এবং চাকওয়াল ও সারগোধায় একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে রেসকিউ ১১২২।
চাকওয়াল জেলায় দুইজন স্রোতে ভেসে যাওয়ার পর শুক্রবার তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অপর একজন ঘরের ছাদ ধসে পড়ে নিহত হন।
এদিকে, চাকওয়াল এলাকায় তিন দিন পরও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। ইসলামাবাদ বিদ্যুৎ সরবরাহ কোম্পানি আইইএসসিও জানায়, ৯৯টি হাই-টেনশন, ৪৮টি লো-টেনশন বৈদ্যুতিক খুঁটি এবং ৬৫টি ট্রান্সফরমার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আইইএসসিওর প্রকৌশলী ওয়াহিদ আহমেদ আব্বাসি ‘ডন’ পত্রিকাকে জানান, সম্পূর্ণ বিদ্যুৎ পুনরুদ্ধারে কমপক্ষে ৪৮ ঘণ্টা লাগবে।
পিএমডি সতর্ক করেছে, বৃষ্টিতে শহরাঞ্চলে জলাবদ্ধতা এবং পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিধস হতে পারে। বিশেষ করে ২১ থেকে ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে পাহাড়ি অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে। কোথাও কোথাও সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট জেলা ও প্রাদেশিক প্রশাসনকে পরিস্থিতি মোকাবেলায় জরুরি প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
পাঞ্জাবের ঝিলমে সৃষ্ট বন্যার মধ্যে উদ্ধারকর্মীদের তৎপরতা। ছবি: ডন
তুমুল বর্ষণের মধ্যে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে ৪৮ ঘণ্টায় অন্তত ৭১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (পিডিএমএ) শুক্রবার আরও ১০ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করার পর বলেছে, গত ২৫ জুন থেকে শুরু হওয়া রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিতে এ পর্যন্ত পাঞ্জাবে ১২৩ জনের মৃত্যুর হয়েছে, আহত হয়েছেন ৪৬২ জন।
এদিকে রোববার থেকে পাকিস্তানের আবহাওয়া বিভাগ (পিএমডি) পাঞ্জাবসহ পাকিস্তানের অনেক এলাকায় আবারও ভারি বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে বলে জানিয়েছে ডন।
আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভারি বর্ষণ অব্যাহত থাকায় কালাবাগ ও চাশমায় সিন্ধু নদীতে বন্যার সতর্কতা জারি করেছে পিডিএমএ।
পাঞ্জাবের অনেক শহরে এরই মধ্যে প্রবল বর্ষণের কারণে দেখা দিয়েছে আকস্মিক জলাবদ্ধতা। অনেক আবাসিক এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে।
পিডিএমএ মহাপরিচালক ইরফান আলী কাথিয়া জানান, পটোহার অঞ্চলের প্লাবিত এলাকাগুলো থেকে ১ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে; এর মধ্যে ৩৯৮ জন ঝিলমে, ২০৯ জন চাকওয়ালে এবং ৪৫০ জন রাওয়ালপিন্ডিতে।
শুক্রবার বৃষ্টিজনিত কারণে লাহোর ও চিনিওটে ৩ জন, ওকারায় ২ জন এবং চাকওয়াল ও সারগোধায় একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে রেসকিউ ১১২২।
চাকওয়াল জেলায় দুইজন স্রোতে ভেসে যাওয়ার পর শুক্রবার তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অপর একজন ঘরের ছাদ ধসে পড়ে নিহত হন।
এদিকে, চাকওয়াল এলাকায় তিন দিন পরও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। ইসলামাবাদ বিদ্যুৎ সরবরাহ কোম্পানি আইইএসসিও জানায়, ৯৯টি হাই-টেনশন, ৪৮টি লো-টেনশন বৈদ্যুতিক খুঁটি এবং ৬৫টি ট্রান্সফরমার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আইইএসসিওর প্রকৌশলী ওয়াহিদ আহমেদ আব্বাসি ‘ডন’ পত্রিকাকে জানান, সম্পূর্ণ বিদ্যুৎ পুনরুদ্ধারে কমপক্ষে ৪৮ ঘণ্টা লাগবে।
পিএমডি সতর্ক করেছে, বৃষ্টিতে শহরাঞ্চলে জলাবদ্ধতা এবং পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিধস হতে পারে। বিশেষ করে ২১ থেকে ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে পাহাড়ি অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে। কোথাও কোথাও সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট জেলা ও প্রাদেশিক প্রশাসনকে পরিস্থিতি মোকাবেলায় জরুরি প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :