বাংলাদেশ জাতীয়
'বশেমুরবিপ্রবি'তে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, আহত ২০
গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিনের পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছে 'বহিরাগতরা'। এতে অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
এর আগে আন্দোলন ঠেকাতে আগামীকাল রোববার থেকে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেয় প্রশাসন।
এরইমধ্যে শনিবার দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালানো হয়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ভিসির পালিত বহিরাগত লোকজন তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তাদেরকে ক্যাম্পাসের ভেতরে ঘেরাও করে রাখা হয়েছে।
আহত শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের চিকিৎসার জন্য বাইরের হাসপাতালে যেতে বাধা প্রদান করছে। এমনকি বাইরে থেকে কোনো শিক্ষার্থীকে ক্যাম্পাসের ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। এমন অবস্থায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
ভিসির বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগের দাবিতে টানা চতুর্থ দিনের মতো আন্দোলন চলছিল।
শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা বিষয়ে উপাচার্য প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, হামলার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। তবে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এরপরও যদি শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করে, তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে ভিসির পদত্যাগ দাবিতে চলমান আন্দোলনের মুখে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি) আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আজ শনিবার সকাল ১০টার মধ্যে ছাত্রছাত্রীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
প্রসঙ্গত, গত ১০ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লেখালেখির কারণে ফাতেমা তুজ জিনিয়ার নামে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে বহিষ্কার করা হয়। যদিও আন্দোলনের মুখে তার বহিষ্কারদেশ প্রত্যাহার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
এর পর থেকেই মূলত বিশ্ববিদালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে আন্দোলন করে আসছে শিক্ষার্থীরা।
বাংলাদেশ জাতীয়
'বশেমুরবিপ্রবি'তে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, আহত ২০
গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিনের পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছে 'বহিরাগতরা'। এতে অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
এর আগে আন্দোলন ঠেকাতে আগামীকাল রোববার থেকে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেয় প্রশাসন।
এরইমধ্যে শনিবার দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালানো হয়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ভিসির পালিত বহিরাগত লোকজন তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তাদেরকে ক্যাম্পাসের ভেতরে ঘেরাও করে রাখা হয়েছে।
আহত শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের চিকিৎসার জন্য বাইরের হাসপাতালে যেতে বাধা প্রদান করছে। এমনকি বাইরে থেকে কোনো শিক্ষার্থীকে ক্যাম্পাসের ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। এমন অবস্থায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
ভিসির বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগের দাবিতে টানা চতুর্থ দিনের মতো আন্দোলন চলছিল।
শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা বিষয়ে উপাচার্য প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, হামলার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। তবে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এরপরও যদি শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করে, তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে ভিসির পদত্যাগ দাবিতে চলমান আন্দোলনের মুখে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি) আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আজ শনিবার সকাল ১০টার মধ্যে ছাত্রছাত্রীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
প্রসঙ্গত, গত ১০ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লেখালেখির কারণে ফাতেমা তুজ জিনিয়ার নামে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে বহিষ্কার করা হয়। যদিও আন্দোলনের মুখে তার বহিষ্কারদেশ প্রত্যাহার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
এর পর থেকেই মূলত বিশ্ববিদালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে আন্দোলন করে আসছে শিক্ষার্থীরা।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিনের পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছে 'বহিরাগতরা'। এতে অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
এর আগে আন্দোলন ঠেকাতে আগামীকাল রোববার থেকে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেয় প্রশাসন।
এরইমধ্যে শনিবার দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালানো হয়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ভিসির পালিত বহিরাগত লোকজন তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তাদেরকে ক্যাম্পাসের ভেতরে ঘেরাও করে রাখা হয়েছে।
আহত শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের চিকিৎসার জন্য বাইরের হাসপাতালে যেতে বাধা প্রদান করছে। এমনকি বাইরে থেকে কোনো শিক্ষার্থীকে ক্যাম্পাসের ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। এমন অবস্থায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
ভিসির বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগের দাবিতে টানা চতুর্থ দিনের মতো আন্দোলন চলছিল।
শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা বিষয়ে উপাচার্য প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, হামলার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। তবে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এরপরও যদি শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করে, তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে ভিসির পদত্যাগ দাবিতে চলমান আন্দোলনের মুখে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি) আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আজ শনিবার সকাল ১০টার মধ্যে ছাত্রছাত্রীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
প্রসঙ্গত, গত ১০ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লেখালেখির কারণে ফাতেমা তুজ জিনিয়ার নামে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে বহিষ্কার করা হয়। যদিও আন্দোলনের মুখে তার বহিষ্কারদেশ প্রত্যাহার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
এর পর থেকেই মূলত বিশ্ববিদালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে আন্দোলন করে আসছে শিক্ষার্থীরা।
আপনার মতামত লিখুন :