বাংলাদেশ আইন ও আদালত
রিশা হত্যায় একমাত্র আসামি ওবায়দুলের মৃত্যুদণ্ড
রাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সুরাইয়া আক্তার রিশা হত্যা মামলার একমাত্র আসামি ওবায়দুলের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদলত।
বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আসামি ওবায়দুল উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার আগে তাকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।
গত রবিবার রায় ঘোষণার তারিখ ধার্য ছিল। কিন্তু মামলার একমাত্র আসামি ওবায়দুল খানকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে হাজির না করায় রায়ের তারিখ পিছিয়ে আজকের দিন ধার্য করেন।
এর আগে গত ১১ সেপ্টেম্বর আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রায়ের তারিখ ধার্য করেন আদালত। এ মামলায় ২০১৭ সালের ১৭ এপ্রিল ওবায়দুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। বিচার চলাকালে ২১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট রিশা ও তার বন্ধু মুনতারিফ রহমান রাফি রাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল এন্ড কলেজে পরীক্ষা শেষে কাকরাইল ফুট ওভারব্রিজ পার হওয়ার সময় ওবায়দুল রিশাকে প্রেমের প্রস্তাব দেন। রিশা ওই প্রস্তাব প্রত্যাখান করলে ওবায়দুল তাকে ছুরিকাঘাত করেন। রক্তাক্ত অবস্থায় রিশাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারদিন পর ২৮ আগস্ট রিশা মারা যায়।
ছুরিকাঘাতের ঘটনায় ২৪ আগস্টই রিশার মা তানিয়া হোসেন বাদী হয়ে রমনা থানায় একটি হত্যা চেষ্টা মামলা করেন। রিশার মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।
২০১৬ সালের ১৪ নভেম্বর ওবায়দুলকে একমাত্র আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আলী হোসেন।
বাংলাদেশ আইন ও আদালত
রিশা হত্যায় একমাত্র আসামি ওবায়দুলের মৃত্যুদণ্ড
রাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সুরাইয়া আক্তার রিশা হত্যা মামলার একমাত্র আসামি ওবায়দুলের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদলত।
বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আসামি ওবায়দুল উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার আগে তাকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।
গত রবিবার রায় ঘোষণার তারিখ ধার্য ছিল। কিন্তু মামলার একমাত্র আসামি ওবায়দুল খানকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে হাজির না করায় রায়ের তারিখ পিছিয়ে আজকের দিন ধার্য করেন।
এর আগে গত ১১ সেপ্টেম্বর আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রায়ের তারিখ ধার্য করেন আদালত। এ মামলায় ২০১৭ সালের ১৭ এপ্রিল ওবায়দুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। বিচার চলাকালে ২১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট রিশা ও তার বন্ধু মুনতারিফ রহমান রাফি রাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল এন্ড কলেজে পরীক্ষা শেষে কাকরাইল ফুট ওভারব্রিজ পার হওয়ার সময় ওবায়দুল রিশাকে প্রেমের প্রস্তাব দেন। রিশা ওই প্রস্তাব প্রত্যাখান করলে ওবায়দুল তাকে ছুরিকাঘাত করেন। রক্তাক্ত অবস্থায় রিশাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারদিন পর ২৮ আগস্ট রিশা মারা যায়।
ছুরিকাঘাতের ঘটনায় ২৪ আগস্টই রিশার মা তানিয়া হোসেন বাদী হয়ে রমনা থানায় একটি হত্যা চেষ্টা মামলা করেন। রিশার মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।
২০১৬ সালের ১৪ নভেম্বর ওবায়দুলকে একমাত্র আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আলী হোসেন।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
রাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সুরাইয়া আক্তার রিশা হত্যা মামলার একমাত্র আসামি ওবায়দুলের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদলত।
বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আসামি ওবায়দুল উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার আগে তাকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।
গত রবিবার রায় ঘোষণার তারিখ ধার্য ছিল। কিন্তু মামলার একমাত্র আসামি ওবায়দুল খানকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে হাজির না করায় রায়ের তারিখ পিছিয়ে আজকের দিন ধার্য করেন।
এর আগে গত ১১ সেপ্টেম্বর আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রায়ের তারিখ ধার্য করেন আদালত। এ মামলায় ২০১৭ সালের ১৭ এপ্রিল ওবায়দুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। বিচার চলাকালে ২১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট রিশা ও তার বন্ধু মুনতারিফ রহমান রাফি রাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল এন্ড কলেজে পরীক্ষা শেষে কাকরাইল ফুট ওভারব্রিজ পার হওয়ার সময় ওবায়দুল রিশাকে প্রেমের প্রস্তাব দেন। রিশা ওই প্রস্তাব প্রত্যাখান করলে ওবায়দুল তাকে ছুরিকাঘাত করেন। রক্তাক্ত অবস্থায় রিশাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারদিন পর ২৮ আগস্ট রিশা মারা যায়।
ছুরিকাঘাতের ঘটনায় ২৪ আগস্টই রিশার মা তানিয়া হোসেন বাদী হয়ে রমনা থানায় একটি হত্যা চেষ্টা মামলা করেন। রিশার মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।
২০১৬ সালের ১৪ নভেম্বর ওবায়দুলকে একমাত্র আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আলী হোসেন।
আপনার মতামত লিখুন :