বাংলাদেশ জেলা
গোপালগঞ্জে মসজিদ ফান্ডের হিসাব চাওয়ায় হামলার অভিযোগ
৬ জন আহত
গোপালগঞ্জ
গোপালগঞ্জে মসজিদ ফান্ডের টাকার হিসাব চাওয়া নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে ছয়জন আহত হয়েছেন। তাঁদের একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আজ সোমবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার পাটগাতি ইউনিয়নের গিমাডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও তাঁদের দলবলের বিরুদ্ধে হামলা, মারপিট ও ভাঙচুরের এ অভিযোগ উঠেছে।
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে হায়দার মোল্লা (৩৫) নামের এক বাসশ্রমিককে আশঙ্কাজনক অবস্থায় গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন টুঙ্গিপাড়া থানার উপপরিদর্শক শেখ আহাদুজামান। তিনি বলেন, হামলার ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অভিযোগ পেলে তদন্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
পাটগাতি ইউপি সদস্য আসলাম শেখ জানান, গিমাডাঙ্গা পশ্চিমপাড়া মোল্লাবাড়ি জামে মসজিদে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক অলি মোল্লার কাছে আয়–ব্যয়ের হিসাব জানতে চান কমিটির অন্যান্য সদস্য ও মুসল্লিরা। তাঁরা হিসাব না দিয়ে নানা অজুহাতে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। হিসাব দেওয়ার সর্বশেষ তারিখ ধার্য করা ছিল ১৭ মে। কিন্তু ওই দিন সব সদস্য উপস্থিত থাকলেও সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন না।
তিনি জানান, মো. হায়দার মোল্লা (৩৫) মসজিদের টাকার হিসাব চাওয়ায় অপমান বোধ করেন মসজিদ কমিটির সভাপতি। ক্ষিপ্ত হয়ে সাধারণ সম্পাদকের ভাই কবির মোল্লার নেতৃত্বে ৪০-৫০ জন লোক গতকাল রাত আটটার দিকে হায়দার মোল্লার বাড়িতে হামলা চালান। এ সময় লোকজন ঘরের মধ্যে লুকিয়ে থাকায় কোনো বড় ধরনের অঘটন ঘটেনি।
প্রত্যক্ষদর্শী আরেকজন জানান, আজ সোমবার সকালে কবির মোল্লা ও ইমদাদ মোল্লার নেতৃত্বে দেশি অস্ত্রশস্ত্রসহ শতাধিক লোক হায়দার মোল্লার বাড়িতে হামলা চালিয়ে হায়দারের ঘরবাড়িসহ বেশ কয়েকটি বাড়ি ও একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। এ সময় হায়দারকে কুপিয়ে আহত করা হয়। হামলায় হায়দারের বাবা মুক্তিযোদ্ধা আতিয়ার রহমান, ভাই জিহাদ, ঠান্ডা, খায়রুলসহ ছয়জন আহত হন।
মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর মোল্লার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে হামলার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘এই গ্রামে ১৮টি পাড়া। এর মধ্যে ৯টি পাড়ার মালিক আমি। আমি এই মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেছি। ওরা আমাকে অপমান করেছে এবং আমার বাড়িতে হামলা করেছে।’
এ বিষয়ে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক অলি মোল্লা বলেন, ‘ওরা আমাদের গ্রামের মাতবর এবং মসজিদ কমিটির সদস্য জাহাঙ্গীর মোল্লাকে অপমান করেছে। আমরা কারও বাড়িতে হামলা করিনি। তারা আমাদের ওপর হামলা করেছে। আমরা সেটি প্রতিহত করেছি।’
বাংলাদেশ জেলা
গোপালগঞ্জে মসজিদ ফান্ডের হিসাব চাওয়ায় হামলার অভিযোগ
৬ জন আহত
গোপালগঞ্জ
গোপালগঞ্জে মসজিদ ফান্ডের টাকার হিসাব চাওয়া নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে ছয়জন আহত হয়েছেন। তাঁদের একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আজ সোমবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার পাটগাতি ইউনিয়নের গিমাডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও তাঁদের দলবলের বিরুদ্ধে হামলা, মারপিট ও ভাঙচুরের এ অভিযোগ উঠেছে।
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে হায়দার মোল্লা (৩৫) নামের এক বাসশ্রমিককে আশঙ্কাজনক অবস্থায় গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন টুঙ্গিপাড়া থানার উপপরিদর্শক শেখ আহাদুজামান। তিনি বলেন, হামলার ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অভিযোগ পেলে তদন্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
পাটগাতি ইউপি সদস্য আসলাম শেখ জানান, গিমাডাঙ্গা পশ্চিমপাড়া মোল্লাবাড়ি জামে মসজিদে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক অলি মোল্লার কাছে আয়–ব্যয়ের হিসাব জানতে চান কমিটির অন্যান্য সদস্য ও মুসল্লিরা। তাঁরা হিসাব না দিয়ে নানা অজুহাতে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। হিসাব দেওয়ার সর্বশেষ তারিখ ধার্য করা ছিল ১৭ মে। কিন্তু ওই দিন সব সদস্য উপস্থিত থাকলেও সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন না।
তিনি জানান, মো. হায়দার মোল্লা (৩৫) মসজিদের টাকার হিসাব চাওয়ায় অপমান বোধ করেন মসজিদ কমিটির সভাপতি। ক্ষিপ্ত হয়ে সাধারণ সম্পাদকের ভাই কবির মোল্লার নেতৃত্বে ৪০-৫০ জন লোক গতকাল রাত আটটার দিকে হায়দার মোল্লার বাড়িতে হামলা চালান। এ সময় লোকজন ঘরের মধ্যে লুকিয়ে থাকায় কোনো বড় ধরনের অঘটন ঘটেনি।
প্রত্যক্ষদর্শী আরেকজন জানান, আজ সোমবার সকালে কবির মোল্লা ও ইমদাদ মোল্লার নেতৃত্বে দেশি অস্ত্রশস্ত্রসহ শতাধিক লোক হায়দার মোল্লার বাড়িতে হামলা চালিয়ে হায়দারের ঘরবাড়িসহ বেশ কয়েকটি বাড়ি ও একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। এ সময় হায়দারকে কুপিয়ে আহত করা হয়। হামলায় হায়দারের বাবা মুক্তিযোদ্ধা আতিয়ার রহমান, ভাই জিহাদ, ঠান্ডা, খায়রুলসহ ছয়জন আহত হন।
মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর মোল্লার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে হামলার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘এই গ্রামে ১৮টি পাড়া। এর মধ্যে ৯টি পাড়ার মালিক আমি। আমি এই মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেছি। ওরা আমাকে অপমান করেছে এবং আমার বাড়িতে হামলা করেছে।’
এ বিষয়ে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক অলি মোল্লা বলেন, ‘ওরা আমাদের গ্রামের মাতবর এবং মসজিদ কমিটির সদস্য জাহাঙ্গীর মোল্লাকে অপমান করেছে। আমরা কারও বাড়িতে হামলা করিনি। তারা আমাদের ওপর হামলা করেছে। আমরা সেটি প্রতিহত করেছি।’
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
গোপালগঞ্জ
গোপালগঞ্জে মসজিদ ফান্ডের টাকার হিসাব চাওয়া নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে ছয়জন আহত হয়েছেন। তাঁদের একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আজ সোমবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার পাটগাতি ইউনিয়নের গিমাডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও তাঁদের দলবলের বিরুদ্ধে হামলা, মারপিট ও ভাঙচুরের এ অভিযোগ উঠেছে।
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে হায়দার মোল্লা (৩৫) নামের এক বাসশ্রমিককে আশঙ্কাজনক অবস্থায় গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন টুঙ্গিপাড়া থানার উপপরিদর্শক শেখ আহাদুজামান। তিনি বলেন, হামলার ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অভিযোগ পেলে তদন্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
পাটগাতি ইউপি সদস্য আসলাম শেখ জানান, গিমাডাঙ্গা পশ্চিমপাড়া মোল্লাবাড়ি জামে মসজিদে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক অলি মোল্লার কাছে আয়–ব্যয়ের হিসাব জানতে চান কমিটির অন্যান্য সদস্য ও মুসল্লিরা। তাঁরা হিসাব না দিয়ে নানা অজুহাতে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। হিসাব দেওয়ার সর্বশেষ তারিখ ধার্য করা ছিল ১৭ মে। কিন্তু ওই দিন সব সদস্য উপস্থিত থাকলেও সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন না।
তিনি জানান, মো. হায়দার মোল্লা (৩৫) মসজিদের টাকার হিসাব চাওয়ায় অপমান বোধ করেন মসজিদ কমিটির সভাপতি। ক্ষিপ্ত হয়ে সাধারণ সম্পাদকের ভাই কবির মোল্লার নেতৃত্বে ৪০-৫০ জন লোক গতকাল রাত আটটার দিকে হায়দার মোল্লার বাড়িতে হামলা চালান। এ সময় লোকজন ঘরের মধ্যে লুকিয়ে থাকায় কোনো বড় ধরনের অঘটন ঘটেনি।
প্রত্যক্ষদর্শী আরেকজন জানান, আজ সোমবার সকালে কবির মোল্লা ও ইমদাদ মোল্লার নেতৃত্বে দেশি অস্ত্রশস্ত্রসহ শতাধিক লোক হায়দার মোল্লার বাড়িতে হামলা চালিয়ে হায়দারের ঘরবাড়িসহ বেশ কয়েকটি বাড়ি ও একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। এ সময় হায়দারকে কুপিয়ে আহত করা হয়। হামলায় হায়দারের বাবা মুক্তিযোদ্ধা আতিয়ার রহমান, ভাই জিহাদ, ঠান্ডা, খায়রুলসহ ছয়জন আহত হন।
মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর মোল্লার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে হামলার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘এই গ্রামে ১৮টি পাড়া। এর মধ্যে ৯টি পাড়ার মালিক আমি। আমি এই মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেছি। ওরা আমাকে অপমান করেছে এবং আমার বাড়িতে হামলা করেছে।’
এ বিষয়ে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক অলি মোল্লা বলেন, ‘ওরা আমাদের গ্রামের মাতবর এবং মসজিদ কমিটির সদস্য জাহাঙ্গীর মোল্লাকে অপমান করেছে। আমরা কারও বাড়িতে হামলা করিনি। তারা আমাদের ওপর হামলা করেছে। আমরা সেটি প্রতিহত করেছি।’
আপনার মতামত লিখুন :