বাংলাদেশ জাতীয়

করোনাভাইরাস

বাংলাদেশকে ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণার পরামর্শ ডব্লিউএইচও'র


নিউজরুম ডেস্ক
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২০ ইং ২৩:১০
NewsRoom


করোনাভাইরাস মোকাবিলায় বাংলাদেশকে আংশিক বা পুরোপুরি লক ডাউন এবং জরুরি অবস্থা ঘোষণার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

শনিবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) বিদায়ী মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন এ তথ্য জানান।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সাঈদ খোকনের সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, যুক্তরাষ্ট্রের কমিউনিকেবল ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রটেকশন (এসডিসিপি) এর প্রতিনিধিদের বৈঠক হয়। বৈঠকে বিশেষজ্ঞরা এ পরামর্শ দেন।

বৈঠকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. বার্নার্ড জুরস রানা, জরুরি গণস্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান ডা. এল সাক্কা হাম্মান, সিডিসিপি এর যুক্তরাষ্ট্রের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ডা. মাইকেল ফ্রিডম্যান, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ, ডিএসসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরীফ আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করে সাঈদ খোকন বলেন, করোনাভাইরাস পরিস্থিত পর্যবেক্ষণ করে শহরের কোথাও কোথাও লকডাউন করার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। অবস্থার অবনতি হলে প্রয়োজনে জরুরি অবস্থা জারি করা যেতে পারে বলেও পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

তিনি বলেন, ঢাকা একটি জনবহুল শহর, বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ। এখানে সম্পূর্ণ লকডাউন করা কঠিন। তারপরেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ঢাকা কিংবা অন্য কোনো এলাকা আংশিক লকডাউন কিংবা জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা যায় কিনা আমাদেরকে পরামর্শ দিয়েছেন। সেটি আমরা সরকারের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে পৌঁছে দেব।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. বার্নার্ড জুরস রানা বলেন, বাংলাদেশ সরকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করছে। আমরা দেখেছি, স্বাস্থ্য বিভাগ দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে। তবে শুধু একটি বিভাগকে কাজ করলে হবে না। সবাইকে সমন্বিত উপায়ে কাজ করতে হবে। সবার উচিত সরকারকে সাহায্য করা।

এসময় ঢাকায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আবাসিক প্রতিনিধি ড. বর্ধন জং রানা বলেন, আমরাতো এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পারি না। এটা রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের বিষয়। আমরা কেউ ঝুঁকির বাইরে নই। প্রত্যেককেই নিজ নিজ জায়গা থেকে সতর্ক হতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ বলেন, সরকার যখন প্রয়োজন মনে করবে তখন লকডাউন করবে। অনেক মানুষই হোম কোয়ারান্টাইনে থাকছেন না, এটা আমাদের জন্য ভয়ের বিষয়। সরকার যদি ভালো মনে করে তাহলে দেশ ও জনগণের স্বার্থে অবশ্যই এটা করতে পারে। তাই বলে সবাই আতঙ্কগ্রস্ত না হয়ে সচেতন থাকা জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন :

বাংলাদেশ জাতীয়

করোনাভাইরাস

বাংলাদেশকে ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণার পরামর্শ ডব্লিউএইচও'র


নিউজরুম ডেস্ক
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২০ ইং ২৩:১০
NewsRoom


করোনাভাইরাস মোকাবিলায় বাংলাদেশকে আংশিক বা পুরোপুরি লক ডাউন এবং জরুরি অবস্থা ঘোষণার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

শনিবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) বিদায়ী মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন এ তথ্য জানান।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সাঈদ খোকনের সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, যুক্তরাষ্ট্রের কমিউনিকেবল ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রটেকশন (এসডিসিপি) এর প্রতিনিধিদের বৈঠক হয়। বৈঠকে বিশেষজ্ঞরা এ পরামর্শ দেন।

বৈঠকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. বার্নার্ড জুরস রানা, জরুরি গণস্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান ডা. এল সাক্কা হাম্মান, সিডিসিপি এর যুক্তরাষ্ট্রের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ডা. মাইকেল ফ্রিডম্যান, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ, ডিএসসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরীফ আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করে সাঈদ খোকন বলেন, করোনাভাইরাস পরিস্থিত পর্যবেক্ষণ করে শহরের কোথাও কোথাও লকডাউন করার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। অবস্থার অবনতি হলে প্রয়োজনে জরুরি অবস্থা জারি করা যেতে পারে বলেও পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

তিনি বলেন, ঢাকা একটি জনবহুল শহর, বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ। এখানে সম্পূর্ণ লকডাউন করা কঠিন। তারপরেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ঢাকা কিংবা অন্য কোনো এলাকা আংশিক লকডাউন কিংবা জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা যায় কিনা আমাদেরকে পরামর্শ দিয়েছেন। সেটি আমরা সরকারের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে পৌঁছে দেব।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. বার্নার্ড জুরস রানা বলেন, বাংলাদেশ সরকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করছে। আমরা দেখেছি, স্বাস্থ্য বিভাগ দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে। তবে শুধু একটি বিভাগকে কাজ করলে হবে না। সবাইকে সমন্বিত উপায়ে কাজ করতে হবে। সবার উচিত সরকারকে সাহায্য করা।

এসময় ঢাকায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আবাসিক প্রতিনিধি ড. বর্ধন জং রানা বলেন, আমরাতো এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পারি না। এটা রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের বিষয়। আমরা কেউ ঝুঁকির বাইরে নই। প্রত্যেককেই নিজ নিজ জায়গা থেকে সতর্ক হতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ বলেন, সরকার যখন প্রয়োজন মনে করবে তখন লকডাউন করবে। অনেক মানুষই হোম কোয়ারান্টাইনে থাকছেন না, এটা আমাদের জন্য ভয়ের বিষয়। সরকার যদি ভালো মনে করে তাহলে দেশ ও জনগণের স্বার্থে অবশ্যই এটা করতে পারে। তাই বলে সবাই আতঙ্কগ্রস্ত না হয়ে সচেতন থাকা জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন :


করোনাভাইরাস

বাংলাদেশকে ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণার পরামর্শ ডব্লিউএইচও'র

নিউজরুম ডেস্ক শনিবার, ২১ মার্চ ২০২০ ইং ২৩:১০ NewsRoom


করোনাভাইরাস মোকাবিলায় বাংলাদেশকে আংশিক বা পুরোপুরি লক ডাউন এবং জরুরি অবস্থা ঘোষণার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

শনিবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) বিদায়ী মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন এ তথ্য জানান।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সাঈদ খোকনের সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, যুক্তরাষ্ট্রের কমিউনিকেবল ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রটেকশন (এসডিসিপি) এর প্রতিনিধিদের বৈঠক হয়। বৈঠকে বিশেষজ্ঞরা এ পরামর্শ দেন।

বৈঠকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. বার্নার্ড জুরস রানা, জরুরি গণস্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান ডা. এল সাক্কা হাম্মান, সিডিসিপি এর যুক্তরাষ্ট্রের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ডা. মাইকেল ফ্রিডম্যান, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ, ডিএসসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরীফ আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করে সাঈদ খোকন বলেন, করোনাভাইরাস পরিস্থিত পর্যবেক্ষণ করে শহরের কোথাও কোথাও লকডাউন করার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। অবস্থার অবনতি হলে প্রয়োজনে জরুরি অবস্থা জারি করা যেতে পারে বলেও পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

তিনি বলেন, ঢাকা একটি জনবহুল শহর, বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ। এখানে সম্পূর্ণ লকডাউন করা কঠিন। তারপরেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ঢাকা কিংবা অন্য কোনো এলাকা আংশিক লকডাউন কিংবা জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা যায় কিনা আমাদেরকে পরামর্শ দিয়েছেন। সেটি আমরা সরকারের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে পৌঁছে দেব।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. বার্নার্ড জুরস রানা বলেন, বাংলাদেশ সরকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করছে। আমরা দেখেছি, স্বাস্থ্য বিভাগ দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে। তবে শুধু একটি বিভাগকে কাজ করলে হবে না। সবাইকে সমন্বিত উপায়ে কাজ করতে হবে। সবার উচিত সরকারকে সাহায্য করা।

এসময় ঢাকায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আবাসিক প্রতিনিধি ড. বর্ধন জং রানা বলেন, আমরাতো এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পারি না। এটা রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের বিষয়। আমরা কেউ ঝুঁকির বাইরে নই। প্রত্যেককেই নিজ নিজ জায়গা থেকে সতর্ক হতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ বলেন, সরকার যখন প্রয়োজন মনে করবে তখন লকডাউন করবে। অনেক মানুষই হোম কোয়ারান্টাইনে থাকছেন না, এটা আমাদের জন্য ভয়ের বিষয়। সরকার যদি ভালো মনে করে তাহলে দেশ ও জনগণের স্বার্থে অবশ্যই এটা করতে পারে। তাই বলে সবাই আতঙ্কগ্রস্ত না হয়ে সচেতন থাকা জরুরি।


2020 All Rights Reserved | www.newsroombd.com.bd
+8801554927951 info@newsroom.com.bd