বাংলাদেশ জাতীয়
মাঠে সেনা, ৫-৭ জনের বেশি জড়ো হলে ঠেকাবে সেনাবাহিনী
বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোতে সামাজিক দূরত্ব এবং সতর্কতামূলক ব্যবস্থার জন্য জেলা প্রশাসনকে সহায়তা করতে সেনাবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।
এতে ৫-৭ জনের বেশি জড়ো হলে ঠেকাতে সেনা সদস্যরা সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে মাঠে কাজ করবেন।
মঙ্গলবার করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে প্রশাসন ও সশস্ত্র বাহিনীর কর্মপদ্ধতি নির্ধারণে অনুষ্ঠিত সভা শেষে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. ইলিয়াস হোসেন এ তথ্য জানান।
তিনি বলেছেন, কোনো জায়গায় অধিক লোক যাতে জড়ো হতে না পারে, ৫-৭ জনের বেশি লোক যাতে জড়ো হতে না পারে এবং নির্দিষ্ট দূরত্ব মেনে যাতে লোকজন চলাফেরা করে- সেটা নিশ্চিত করবে সেনাবাহিনী।
মো. ইলিয়াস হোসেন বলেেন, ইন অ্যাইড টু সিভিল পাওয়ার অনুসারে সেনাবাহিনী যে কাজগুলো করবে, সেই কর্মপরিকল্পনা সভায় আমরা ঠিক করেছি। হোম কোয়ারেন্টিনে যারা আছে, সেখানে অনেকেই কোয়ারেন্টিন মানছে না। আমরা মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাজা দিয়েছি অনেককে। এরপরেও অনেকে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
সব প্রবাসীদের হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীকে সরকার মাঠে নামিয়েছে। এখানেও (চট্টগ্রামে) সেনাবাহিনী সেটা করবে। পাশাপাশি আমাদের সিভিল প্রশাসনকে তারা সবধরনের সহায়তা দেবে।
বাংলাদেশ জাতীয়
মাঠে সেনা, ৫-৭ জনের বেশি জড়ো হলে ঠেকাবে সেনাবাহিনী
বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোতে সামাজিক দূরত্ব এবং সতর্কতামূলক ব্যবস্থার জন্য জেলা প্রশাসনকে সহায়তা করতে সেনাবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।
এতে ৫-৭ জনের বেশি জড়ো হলে ঠেকাতে সেনা সদস্যরা সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে মাঠে কাজ করবেন।
মঙ্গলবার করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে প্রশাসন ও সশস্ত্র বাহিনীর কর্মপদ্ধতি নির্ধারণে অনুষ্ঠিত সভা শেষে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. ইলিয়াস হোসেন এ তথ্য জানান।
তিনি বলেছেন, কোনো জায়গায় অধিক লোক যাতে জড়ো হতে না পারে, ৫-৭ জনের বেশি লোক যাতে জড়ো হতে না পারে এবং নির্দিষ্ট দূরত্ব মেনে যাতে লোকজন চলাফেরা করে- সেটা নিশ্চিত করবে সেনাবাহিনী।
মো. ইলিয়াস হোসেন বলেেন, ইন অ্যাইড টু সিভিল পাওয়ার অনুসারে সেনাবাহিনী যে কাজগুলো করবে, সেই কর্মপরিকল্পনা সভায় আমরা ঠিক করেছি। হোম কোয়ারেন্টিনে যারা আছে, সেখানে অনেকেই কোয়ারেন্টিন মানছে না। আমরা মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাজা দিয়েছি অনেককে। এরপরেও অনেকে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
সব প্রবাসীদের হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীকে সরকার মাঠে নামিয়েছে। এখানেও (চট্টগ্রামে) সেনাবাহিনী সেটা করবে। পাশাপাশি আমাদের সিভিল প্রশাসনকে তারা সবধরনের সহায়তা দেবে।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোতে সামাজিক দূরত্ব এবং সতর্কতামূলক ব্যবস্থার জন্য জেলা প্রশাসনকে সহায়তা করতে সেনাবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।
এতে ৫-৭ জনের বেশি জড়ো হলে ঠেকাতে সেনা সদস্যরা সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে মাঠে কাজ করবেন।
মঙ্গলবার করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে প্রশাসন ও সশস্ত্র বাহিনীর কর্মপদ্ধতি নির্ধারণে অনুষ্ঠিত সভা শেষে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. ইলিয়াস হোসেন এ তথ্য জানান।
তিনি বলেছেন, কোনো জায়গায় অধিক লোক যাতে জড়ো হতে না পারে, ৫-৭ জনের বেশি লোক যাতে জড়ো হতে না পারে এবং নির্দিষ্ট দূরত্ব মেনে যাতে লোকজন চলাফেরা করে- সেটা নিশ্চিত করবে সেনাবাহিনী।
মো. ইলিয়াস হোসেন বলেেন, ইন অ্যাইড টু সিভিল পাওয়ার অনুসারে সেনাবাহিনী যে কাজগুলো করবে, সেই কর্মপরিকল্পনা সভায় আমরা ঠিক করেছি। হোম কোয়ারেন্টিনে যারা আছে, সেখানে অনেকেই কোয়ারেন্টিন মানছে না। আমরা মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাজা দিয়েছি অনেককে। এরপরেও অনেকে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
সব প্রবাসীদের হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীকে সরকার মাঠে নামিয়েছে। এখানেও (চট্টগ্রামে) সেনাবাহিনী সেটা করবে। পাশাপাশি আমাদের সিভিল প্রশাসনকে তারা সবধরনের সহায়তা দেবে।
আপনার মতামত লিখুন :