বাংলাদেশ জাতীয়
করোনাভাইরাস শনাক্তে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কিট ‘কার্যকর নয়’: বিএসএমএমইউ
গণস্বাস্থ্যের কিট করোনা শনাক্তে কার্যকর নয় বলে জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়া। বুধবার দুপুরের দিকে তিনি এ কথা বলেন।
অ্যান্টিবডি চিনতে পারলেও উদ্ভাবিত ‘জিআর কোভিড-১৯ ডট ব্লট কিট’ উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের করোনাভাইরাস শনাক্তে ‘কার্যকর নয়’ বলে প্রতিবেদন দিয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) মূল্যায়ন কমিটি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়া জানান, “এই কিট উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের রোগ শনাক্তকরণে কার্যকর নয়। উপসর্গের প্রথম দুই সপ্তাহে এই কিট ব্যবহার করে শুধুমাত্র ১১ থেকে ৪০ শতাংশ রোগীর রোগ শনাক্ত করা সম্ভব।”
তিনি আরও জানান, কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে করোনার উপসর্গ নিয়ে যাঁরা এসেছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে গণস্বাস্থ্যের কিটে মাত্র ১১-৪০ শতাংশ পর্যন্ত শনাক্ত করা গেছে। এ কারণে কমিটি গণস্বাস্থ্যের কিট করোনা শনাক্তে কার্যকর নয় বলে রিপোর্ট দিয়েছে।
কোনো কিট ৯৫ থেকে ৯৮ শতাংশ পর্যন্ত সঠিক ফলাফল না দিলে তাকে আসলে কার্যকর বলা যায় না বলে বিএসএমএমইউর একটি সূত্র জানিয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ কিট নিয়ে আলোচনা চলছে। গত ৩০ এপ্রিল ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে বিএসএমএমইউতে কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষার অনুমতি দেয়। কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য তারা বিএসএমএমইউকে চিঠি দেয়। বিএসএমএমইউর কর্তৃপক্ষ কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষা করতে গত ২ মে ছয় সদস্যের কমিটি গঠন করে। পরে গণস্বাস্থ্য বিএসএমএমইউতে কিট জমা দেয়।
বাংলাদেশ জাতীয়
করোনাভাইরাস শনাক্তে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কিট ‘কার্যকর নয়’: বিএসএমএমইউ
গণস্বাস্থ্যের কিট করোনা শনাক্তে কার্যকর নয় বলে জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়া। বুধবার দুপুরের দিকে তিনি এ কথা বলেন।
অ্যান্টিবডি চিনতে পারলেও উদ্ভাবিত ‘জিআর কোভিড-১৯ ডট ব্লট কিট’ উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের করোনাভাইরাস শনাক্তে ‘কার্যকর নয়’ বলে প্রতিবেদন দিয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) মূল্যায়ন কমিটি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়া জানান, “এই কিট উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের রোগ শনাক্তকরণে কার্যকর নয়। উপসর্গের প্রথম দুই সপ্তাহে এই কিট ব্যবহার করে শুধুমাত্র ১১ থেকে ৪০ শতাংশ রোগীর রোগ শনাক্ত করা সম্ভব।”
তিনি আরও জানান, কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে করোনার উপসর্গ নিয়ে যাঁরা এসেছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে গণস্বাস্থ্যের কিটে মাত্র ১১-৪০ শতাংশ পর্যন্ত শনাক্ত করা গেছে। এ কারণে কমিটি গণস্বাস্থ্যের কিট করোনা শনাক্তে কার্যকর নয় বলে রিপোর্ট দিয়েছে।
কোনো কিট ৯৫ থেকে ৯৮ শতাংশ পর্যন্ত সঠিক ফলাফল না দিলে তাকে আসলে কার্যকর বলা যায় না বলে বিএসএমএমইউর একটি সূত্র জানিয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ কিট নিয়ে আলোচনা চলছে। গত ৩০ এপ্রিল ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে বিএসএমএমইউতে কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষার অনুমতি দেয়। কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য তারা বিএসএমএমইউকে চিঠি দেয়। বিএসএমএমইউর কর্তৃপক্ষ কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষা করতে গত ২ মে ছয় সদস্যের কমিটি গঠন করে। পরে গণস্বাস্থ্য বিএসএমএমইউতে কিট জমা দেয়।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
গণস্বাস্থ্যের কিট করোনা শনাক্তে কার্যকর নয় বলে জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়া। বুধবার দুপুরের দিকে তিনি এ কথা বলেন।
অ্যান্টিবডি চিনতে পারলেও উদ্ভাবিত ‘জিআর কোভিড-১৯ ডট ব্লট কিট’ উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের করোনাভাইরাস শনাক্তে ‘কার্যকর নয়’ বলে প্রতিবেদন দিয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) মূল্যায়ন কমিটি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়া জানান, “এই কিট উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের রোগ শনাক্তকরণে কার্যকর নয়। উপসর্গের প্রথম দুই সপ্তাহে এই কিট ব্যবহার করে শুধুমাত্র ১১ থেকে ৪০ শতাংশ রোগীর রোগ শনাক্ত করা সম্ভব।”
তিনি আরও জানান, কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে করোনার উপসর্গ নিয়ে যাঁরা এসেছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে গণস্বাস্থ্যের কিটে মাত্র ১১-৪০ শতাংশ পর্যন্ত শনাক্ত করা গেছে। এ কারণে কমিটি গণস্বাস্থ্যের কিট করোনা শনাক্তে কার্যকর নয় বলে রিপোর্ট দিয়েছে।
কোনো কিট ৯৫ থেকে ৯৮ শতাংশ পর্যন্ত সঠিক ফলাফল না দিলে তাকে আসলে কার্যকর বলা যায় না বলে বিএসএমএমইউর একটি সূত্র জানিয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ কিট নিয়ে আলোচনা চলছে। গত ৩০ এপ্রিল ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে বিএসএমএমইউতে কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষার অনুমতি দেয়। কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য তারা বিএসএমএমইউকে চিঠি দেয়। বিএসএমএমইউর কর্তৃপক্ষ কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষা করতে গত ২ মে ছয় সদস্যের কমিটি গঠন করে। পরে গণস্বাস্থ্য বিএসএমএমইউতে কিট জমা দেয়।
আপনার মতামত লিখুন :