আন্তর্জাতিক
হিমাচলে যাত্রীবাহী বাস খাদে, নিহত ৪৪
আহত হয়েছেন আরও ৩০
বাস থেকে যাত্রীদের বের করে আনেন স্থানীয়রা
ভারতের হিমাচল প্রদেশে যাত্রীবাহী বাস গিরিখাতে পড়ে অন্তত ৪৪ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও ৩০ জন। কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
বৃহস্পতিবার (২০ জুন) রাজ্যের কুল্লু জেলার বানজার তেহশিল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রায় ৭০ জন যাত্রী নিয়ে বাসটি কুল্লু থেকে গাদা গুশাইনি যাচ্ছিল।
জেলা পুলিশপ্রধান শালিনী অগ্নিহোত্রী বার্তা সংস্থা এএফপি’কে বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে কর্তৃপক্ষ। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রীবহন ও বেপরোয়া গাড়ি চালানোর কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন এক সরকারি কর্মকর্তা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, গিরিখাতের নিচে একটি জলপ্রবাহের কাছে বাসটি দুমড়ে-মুচড়ে পড়ে আছে। স্থানীয়রা মানবশৃঙ্খল তৈরি করে আহতদের জলপ্রবাহটি পার করাচ্ছেন। আহতদের বানজার সিভিল হাসপাতাল ও কুল্লু জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনায় গভীর শোক জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ মোদী। এছাড়া, হিমাচলের গভর্নর আচার্য্য দেবব্রত ও মুখ্যমন্ত্রী জয় রাম ঠাকুরও এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন। দুর্ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
হতাহতদের বেশিরভাগই কুল্লু জেলার বাসিন্দা। নিহতদের পরিবার ও আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে ৫০ হাজার রুপি সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে জেলা প্রশাসন।
পাহাড়ি রাজ্য হিমাচল ভারতের অন্যতম দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা। অতিরিক্ত যাত্রীবহন ও বেপরোয়া গাড়িচালনার কারণে এখানে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। সরকারি তথ্যমতে, ২০১৪ থেকে ২০১৭ সালে প্রতি বছর হিমাচলে অন্তত ১ হাজার ২০০ লোক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হরিয়েছেন।
আন্তর্জাতিক
হিমাচলে যাত্রীবাহী বাস খাদে, নিহত ৪৪
আহত হয়েছেন আরও ৩০
বাস থেকে যাত্রীদের বের করে আনেন স্থানীয়রা
ভারতের হিমাচল প্রদেশে যাত্রীবাহী বাস গিরিখাতে পড়ে অন্তত ৪৪ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও ৩০ জন। কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
বৃহস্পতিবার (২০ জুন) রাজ্যের কুল্লু জেলার বানজার তেহশিল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রায় ৭০ জন যাত্রী নিয়ে বাসটি কুল্লু থেকে গাদা গুশাইনি যাচ্ছিল।
জেলা পুলিশপ্রধান শালিনী অগ্নিহোত্রী বার্তা সংস্থা এএফপি’কে বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে কর্তৃপক্ষ। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রীবহন ও বেপরোয়া গাড়ি চালানোর কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন এক সরকারি কর্মকর্তা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, গিরিখাতের নিচে একটি জলপ্রবাহের কাছে বাসটি দুমড়ে-মুচড়ে পড়ে আছে। স্থানীয়রা মানবশৃঙ্খল তৈরি করে আহতদের জলপ্রবাহটি পার করাচ্ছেন। আহতদের বানজার সিভিল হাসপাতাল ও কুল্লু জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনায় গভীর শোক জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ মোদী। এছাড়া, হিমাচলের গভর্নর আচার্য্য দেবব্রত ও মুখ্যমন্ত্রী জয় রাম ঠাকুরও এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন। দুর্ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
হতাহতদের বেশিরভাগই কুল্লু জেলার বাসিন্দা। নিহতদের পরিবার ও আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে ৫০ হাজার রুপি সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে জেলা প্রশাসন।
পাহাড়ি রাজ্য হিমাচল ভারতের অন্যতম দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা। অতিরিক্ত যাত্রীবহন ও বেপরোয়া গাড়িচালনার কারণে এখানে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। সরকারি তথ্যমতে, ২০১৪ থেকে ২০১৭ সালে প্রতি বছর হিমাচলে অন্তত ১ হাজার ২০০ লোক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হরিয়েছেন।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
বাস থেকে যাত্রীদের বের করে আনেন স্থানীয়রা
ভারতের হিমাচল প্রদেশে যাত্রীবাহী বাস গিরিখাতে পড়ে অন্তত ৪৪ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও ৩০ জন। কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
বৃহস্পতিবার (২০ জুন) রাজ্যের কুল্লু জেলার বানজার তেহশিল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রায় ৭০ জন যাত্রী নিয়ে বাসটি কুল্লু থেকে গাদা গুশাইনি যাচ্ছিল।
জেলা পুলিশপ্রধান শালিনী অগ্নিহোত্রী বার্তা সংস্থা এএফপি’কে বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে কর্তৃপক্ষ। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রীবহন ও বেপরোয়া গাড়ি চালানোর কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন এক সরকারি কর্মকর্তা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, গিরিখাতের নিচে একটি জলপ্রবাহের কাছে বাসটি দুমড়ে-মুচড়ে পড়ে আছে। স্থানীয়রা মানবশৃঙ্খল তৈরি করে আহতদের জলপ্রবাহটি পার করাচ্ছেন। আহতদের বানজার সিভিল হাসপাতাল ও কুল্লু জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনায় গভীর শোক জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ মোদী। এছাড়া, হিমাচলের গভর্নর আচার্য্য দেবব্রত ও মুখ্যমন্ত্রী জয় রাম ঠাকুরও এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন। দুর্ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
হতাহতদের বেশিরভাগই কুল্লু জেলার বাসিন্দা। নিহতদের পরিবার ও আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে ৫০ হাজার রুপি সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে জেলা প্রশাসন।
পাহাড়ি রাজ্য হিমাচল ভারতের অন্যতম দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা। অতিরিক্ত যাত্রীবহন ও বেপরোয়া গাড়িচালনার কারণে এখানে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। সরকারি তথ্যমতে, ২০১৪ থেকে ২০১৭ সালে প্রতি বছর হিমাচলে অন্তত ১ হাজার ২০০ লোক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হরিয়েছেন।
আপনার মতামত লিখুন :