বাংলাদেশ রাজধানী
পল্টনের পরদিন একই সময়ে 'বোমা' মিলল গুলিস্তানে
রাজধানীর পল্টন মোড়ে বোমা বিস্ফোরণের পরদিন প্রায় একই সময়ে বোমা সদৃশ বস্তুর দেখা মিলল গুলিস্তানে স্টেডিয়ামের পাশে বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের কাছে। সেখানে দায়িত্বরত এক ট্রাফিক সার্জেন্টের দাঁড় করিয়ে রাখা মোটরসাইকেলে 'অজানা' কেউ পলিথিন ব্যাগে একটি 'বোমা' রেখে গেছেন।
শনিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে ব্যগটি দেখেন ট্রাফিক সার্জেন্ট। রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশের বোমা নিস্ক্রিয়কারী দল বোমাটি উদ্ধার করে বিস্ফোরণ ঘটায়। এর আগে শুক্রবার পল্টন মোড়ে প্রায় একই সময় একটি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
ট্রাফিকের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার ওয়ায়েদুল ইসলাম জানান, বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের পাশে কর্তব্যরত সার্জেন্ট তার মোটরসাইকেল রেখে দায়িত্ব পালন করছিলেন। পরে রাত পৌনে ৯টার দিকে দেখেন একটি পলিথিন ব্যাগ তার মোটরসাইকেলে ঝুলছে।
ব্যাগটি তার নয় নিশ্চিত হওয়ার পর ভেতরে তাকিয়ে দেখেন ‘গ্রেনেড সদৃশ’ একটি বস্তু। পরে তিনি দ্রুত ট্রাফিক পুলিশ বক্সে গিয়ে ঘটনা খুলে বলেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর পর ঢাকা মহানগর পুলিশের বোমা নিস্ক্রিয়কারী দল এসে রাত সাড়ে ১০টার দিকে সেটির বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ধ্বংস করে ফেলে।
পল্টন থানার পরিদর্শক (অপারেশন) হিরন্ময় বলেন, আধা লিটারের পানির বোতল কেটে নিচের অংশে কিছু রাসায়নিক দিয়ে একটি ছোট ‘ককটেল’ বানিয়ে কে বা কারা ট্রাফিক পুলিশের মটরসাইকেলে রেখে যায়।
শুক্রবার প্রায় একই সময় পল্টন মোড়ে কে বা কারা একটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। ওই বিস্ফোরণে কেউ আহত হয়নি। আর শনিবারের বোমাটি বিস্ফোরিত হয়নি। হলে কারও ক্ষয়ক্ষতি হতে পারত।
দুটি ঘটনারই তদন্ত চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ রাজধানী
পল্টনের পরদিন একই সময়ে 'বোমা' মিলল গুলিস্তানে
রাজধানীর পল্টন মোড়ে বোমা বিস্ফোরণের পরদিন প্রায় একই সময়ে বোমা সদৃশ বস্তুর দেখা মিলল গুলিস্তানে স্টেডিয়ামের পাশে বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের কাছে। সেখানে দায়িত্বরত এক ট্রাফিক সার্জেন্টের দাঁড় করিয়ে রাখা মোটরসাইকেলে 'অজানা' কেউ পলিথিন ব্যাগে একটি 'বোমা' রেখে গেছেন।
শনিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে ব্যগটি দেখেন ট্রাফিক সার্জেন্ট। রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশের বোমা নিস্ক্রিয়কারী দল বোমাটি উদ্ধার করে বিস্ফোরণ ঘটায়। এর আগে শুক্রবার পল্টন মোড়ে প্রায় একই সময় একটি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
ট্রাফিকের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার ওয়ায়েদুল ইসলাম জানান, বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের পাশে কর্তব্যরত সার্জেন্ট তার মোটরসাইকেল রেখে দায়িত্ব পালন করছিলেন। পরে রাত পৌনে ৯টার দিকে দেখেন একটি পলিথিন ব্যাগ তার মোটরসাইকেলে ঝুলছে।
ব্যাগটি তার নয় নিশ্চিত হওয়ার পর ভেতরে তাকিয়ে দেখেন ‘গ্রেনেড সদৃশ’ একটি বস্তু। পরে তিনি দ্রুত ট্রাফিক পুলিশ বক্সে গিয়ে ঘটনা খুলে বলেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর পর ঢাকা মহানগর পুলিশের বোমা নিস্ক্রিয়কারী দল এসে রাত সাড়ে ১০টার দিকে সেটির বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ধ্বংস করে ফেলে।
পল্টন থানার পরিদর্শক (অপারেশন) হিরন্ময় বলেন, আধা লিটারের পানির বোতল কেটে নিচের অংশে কিছু রাসায়নিক দিয়ে একটি ছোট ‘ককটেল’ বানিয়ে কে বা কারা ট্রাফিক পুলিশের মটরসাইকেলে রেখে যায়।
শুক্রবার প্রায় একই সময় পল্টন মোড়ে কে বা কারা একটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। ওই বিস্ফোরণে কেউ আহত হয়নি। আর শনিবারের বোমাটি বিস্ফোরিত হয়নি। হলে কারও ক্ষয়ক্ষতি হতে পারত।
দুটি ঘটনারই তদন্ত চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা করা হচ্ছে।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
রাজধানীর পল্টন মোড়ে বোমা বিস্ফোরণের পরদিন প্রায় একই সময়ে বোমা সদৃশ বস্তুর দেখা মিলল গুলিস্তানে স্টেডিয়ামের পাশে বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের কাছে। সেখানে দায়িত্বরত এক ট্রাফিক সার্জেন্টের দাঁড় করিয়ে রাখা মোটরসাইকেলে 'অজানা' কেউ পলিথিন ব্যাগে একটি 'বোমা' রেখে গেছেন।
শনিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে ব্যগটি দেখেন ট্রাফিক সার্জেন্ট। রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশের বোমা নিস্ক্রিয়কারী দল বোমাটি উদ্ধার করে বিস্ফোরণ ঘটায়। এর আগে শুক্রবার পল্টন মোড়ে প্রায় একই সময় একটি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
ট্রাফিকের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার ওয়ায়েদুল ইসলাম জানান, বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের পাশে কর্তব্যরত সার্জেন্ট তার মোটরসাইকেল রেখে দায়িত্ব পালন করছিলেন। পরে রাত পৌনে ৯টার দিকে দেখেন একটি পলিথিন ব্যাগ তার মোটরসাইকেলে ঝুলছে।
ব্যাগটি তার নয় নিশ্চিত হওয়ার পর ভেতরে তাকিয়ে দেখেন ‘গ্রেনেড সদৃশ’ একটি বস্তু। পরে তিনি দ্রুত ট্রাফিক পুলিশ বক্সে গিয়ে ঘটনা খুলে বলেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর পর ঢাকা মহানগর পুলিশের বোমা নিস্ক্রিয়কারী দল এসে রাত সাড়ে ১০টার দিকে সেটির বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ধ্বংস করে ফেলে।
পল্টন থানার পরিদর্শক (অপারেশন) হিরন্ময় বলেন, আধা লিটারের পানির বোতল কেটে নিচের অংশে কিছু রাসায়নিক দিয়ে একটি ছোট ‘ককটেল’ বানিয়ে কে বা কারা ট্রাফিক পুলিশের মটরসাইকেলে রেখে যায়।
শুক্রবার প্রায় একই সময় পল্টন মোড়ে কে বা কারা একটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। ওই বিস্ফোরণে কেউ আহত হয়নি। আর শনিবারের বোমাটি বিস্ফোরিত হয়নি। হলে কারও ক্ষয়ক্ষতি হতে পারত।
দুটি ঘটনারই তদন্ত চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা করা হচ্ছে।
আপনার মতামত লিখুন :