বাংলাদেশ জাতীয়

জঙ্গিবাদে জড়িতদের ৫৬ শতাংশ এসেছে স্কুল-কলেজ থেকে: অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট


নিউজরুম ডেস্ক
রবিবার, ২৩ জুন ২০১৯ ইং ০৫:২১
NewsRoom

ফাইল ছবি


ধর্মীয় বা মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাই জঙ্গিবাদের সাথে বেশি জড়িত থাকে, অধিকাংশ জনসাধারণের মধ্যে এমন ধারণা থাকলেও অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) গবেষণা বলছে ভিন্ন কথা। গবেষণা বলছে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের থেকে সাধারণ শিক্ষা মাধ্যমের (স্কুল-কলেজ) শিক্ষার্থীরাই জঙ্গিবাদের সঙ্গে বেশি জড়িত।

অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের গবেষণার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জঙ্গিবাদে জড়িতদের ৫৬ শতাংশ সাধারণ শিক্ষা মাধ্যম (স্কুল-কলেজ) থেকে আসে।

রাজধানীর ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মাধ্যমে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে পুলিশের বিশেষায়িত অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপপরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্য তুলে ধরেন।

বৈঠকে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “জঙ্গিবাদের জন্য কেবল মাদরাসা শিক্ষাকে দোষ দিলেই হবে না। কারণ- আমাদের হাতে আটক বেশিরভাগ জঙ্গিই সাধারণ শিক্ষা মাধ্যম থেকে এসেছে।”

২০১৫ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে জঙ্গিবাদ সংশ্লিষ্টতায় গ্রেপ্তার এমন ২৫০ জনের ওপর ভিত্তি করে এই গবেষণা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

মনিরুজ্জামান জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ৫৬ শতাংশ সাধারণ শিক্ষা মাধ্যম (স্কুল-কলেজ), ২২ শতাংশ মাদরাসা শিক্ষা মাধ্যম এবং বাকি ২২ শতাংশের কেউ নিরক্ষর অথবা ইংরেজি শিক্ষা মাধ্যম থেকে উঠে আসা।

বৈঠকে তিনি আরও বলেন, এদের ৮০ শতাংশ ইন্টারনেট অথবা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্মীয় উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে জড়িত ছিলো। এছাড়াও, বাকি ২০ শতাংশ সুপরিচিত ব্যক্তিদের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে এসেছে।

বৈঠকে, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় মৌলবাদের জন্য কেবল শিক্ষা মাধ্যমকে দোষারোপ না করে সবাইকে একযোগে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেন বক্তারা।

আপনার মতামত লিখুন :

বাংলাদেশ জাতীয়

জঙ্গিবাদে জড়িতদের ৫৬ শতাংশ এসেছে স্কুল-কলেজ থেকে: অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট


নিউজরুম ডেস্ক
রবিবার, ২৩ জুন ২০১৯ ইং ০৫:২১
NewsRoom

ফাইল ছবি


ধর্মীয় বা মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাই জঙ্গিবাদের সাথে বেশি জড়িত থাকে, অধিকাংশ জনসাধারণের মধ্যে এমন ধারণা থাকলেও অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) গবেষণা বলছে ভিন্ন কথা। গবেষণা বলছে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের থেকে সাধারণ শিক্ষা মাধ্যমের (স্কুল-কলেজ) শিক্ষার্থীরাই জঙ্গিবাদের সঙ্গে বেশি জড়িত।

অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের গবেষণার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জঙ্গিবাদে জড়িতদের ৫৬ শতাংশ সাধারণ শিক্ষা মাধ্যম (স্কুল-কলেজ) থেকে আসে।

রাজধানীর ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মাধ্যমে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে পুলিশের বিশেষায়িত অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপপরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্য তুলে ধরেন।

বৈঠকে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “জঙ্গিবাদের জন্য কেবল মাদরাসা শিক্ষাকে দোষ দিলেই হবে না। কারণ- আমাদের হাতে আটক বেশিরভাগ জঙ্গিই সাধারণ শিক্ষা মাধ্যম থেকে এসেছে।”

২০১৫ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে জঙ্গিবাদ সংশ্লিষ্টতায় গ্রেপ্তার এমন ২৫০ জনের ওপর ভিত্তি করে এই গবেষণা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

মনিরুজ্জামান জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ৫৬ শতাংশ সাধারণ শিক্ষা মাধ্যম (স্কুল-কলেজ), ২২ শতাংশ মাদরাসা শিক্ষা মাধ্যম এবং বাকি ২২ শতাংশের কেউ নিরক্ষর অথবা ইংরেজি শিক্ষা মাধ্যম থেকে উঠে আসা।

বৈঠকে তিনি আরও বলেন, এদের ৮০ শতাংশ ইন্টারনেট অথবা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্মীয় উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে জড়িত ছিলো। এছাড়াও, বাকি ২০ শতাংশ সুপরিচিত ব্যক্তিদের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে এসেছে।

বৈঠকে, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় মৌলবাদের জন্য কেবল শিক্ষা মাধ্যমকে দোষারোপ না করে সবাইকে একযোগে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেন বক্তারা।

আপনার মতামত লিখুন :


জঙ্গিবাদে জড়িতদের ৫৬ শতাংশ এসেছে স্কুল-কলেজ থেকে: অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট

নিউজরুম ডেস্ক রবিবার, ২৩ জুন ২০১৯ ইং ০৫:২১ NewsRoom

ফাইল ছবি


ধর্মীয় বা মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাই জঙ্গিবাদের সাথে বেশি জড়িত থাকে, অধিকাংশ জনসাধারণের মধ্যে এমন ধারণা থাকলেও অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) গবেষণা বলছে ভিন্ন কথা। গবেষণা বলছে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের থেকে সাধারণ শিক্ষা মাধ্যমের (স্কুল-কলেজ) শিক্ষার্থীরাই জঙ্গিবাদের সঙ্গে বেশি জড়িত।

অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের গবেষণার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জঙ্গিবাদে জড়িতদের ৫৬ শতাংশ সাধারণ শিক্ষা মাধ্যম (স্কুল-কলেজ) থেকে আসে।

রাজধানীর ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মাধ্যমে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে পুলিশের বিশেষায়িত অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপপরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্য তুলে ধরেন।

বৈঠকে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “জঙ্গিবাদের জন্য কেবল মাদরাসা শিক্ষাকে দোষ দিলেই হবে না। কারণ- আমাদের হাতে আটক বেশিরভাগ জঙ্গিই সাধারণ শিক্ষা মাধ্যম থেকে এসেছে।”

২০১৫ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে জঙ্গিবাদ সংশ্লিষ্টতায় গ্রেপ্তার এমন ২৫০ জনের ওপর ভিত্তি করে এই গবেষণা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

মনিরুজ্জামান জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ৫৬ শতাংশ সাধারণ শিক্ষা মাধ্যম (স্কুল-কলেজ), ২২ শতাংশ মাদরাসা শিক্ষা মাধ্যম এবং বাকি ২২ শতাংশের কেউ নিরক্ষর অথবা ইংরেজি শিক্ষা মাধ্যম থেকে উঠে আসা।

বৈঠকে তিনি আরও বলেন, এদের ৮০ শতাংশ ইন্টারনেট অথবা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্মীয় উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে জড়িত ছিলো। এছাড়াও, বাকি ২০ শতাংশ সুপরিচিত ব্যক্তিদের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে এসেছে।

বৈঠকে, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় মৌলবাদের জন্য কেবল শিক্ষা মাধ্যমকে দোষারোপ না করে সবাইকে একযোগে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেন বক্তারা।


2020 All Rights Reserved | www.newsroombd.com.bd
+8801554927951 info@newsroom.com.bd