খেলাধুলা
লড়াকু ব্রাথওয়েট দুর্ভাগা ব্রাথওয়েট
খাদের কিনারা থেকে একাই দলকে জয়ের বন্দরে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন কার্লোস ব্রাথওয়েট। মাত্র ৮০ বলে করেছেন দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি। কিন্তু তীরে এসে তরী ডুবালেন দুর্ভাগা ব্রাথওয়েট। ছক্কা মেরে ম্যাচ জেতাতে গিয়ে একেবারে বাউন্ডারি লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেন্ট বোল্টের তালুবন্দি হন তিনি। রোমাঞ্চকর এক লড়াইয়ে নিউজিল্যান্ডের কাছে দল হেরে যায় মাত্র ৫ রানে। এ হারে বিশ্বকাপ থেকে এক প্রকার ছিটকে গেলেন তারা।
শেল্ডন কটরেল যখন আউট হয়ে ফেরেন উইন্ডিজ তখন জয় থেকে ৪৭ রান দূরে। হাতে মাত্র এক উইকেট। একটু এদিক সেদিক হলেই ম্যাচ হেরে যাবে দল। এরপর থেকে একাই স্ট্রাইক নিয়ে খেলতে থাকলেন ব্রাথওয়েট। ৪৮ তম ওভারে চড়াও হয়ে ম্যাট হেনরির এক ওভারেই তুলে নেন ২৫ রান। লাস্ট দুই ওভারে প্রয়োজন মাত্র ৮ রান। ৪৯ তম ওভারের চতুর্থ বলে ২ রান নিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন পাহাড়সম চাপের মধ্যে। সেঞ্চুরি সাজান ৯টি চার ও ৫টি ছক্কায়। ম্যাচ নিয়ে আসেন জয়ের বন্দরে। কিন্তু লাস্ট বলে সিঙ্গেল না নিয়ে ছেয়েছিলেন ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ জিততে। এছাড়া আর উপায়ও ছিলনা। তবে দুর্ভাগ্য, একেবারে বাউন্ডারি লাইনে দাঁড়িয়ে ক্যাচটি ধরে নেন ট্রেন্ট বোল্ট।
২৯১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা মোটেও ভালো করতে পারেনি উইন্ডিজ। দলীয় ২০ রানেই দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দলটি। তৃতীয় উইকেটে শিমরন হেটমায়েরকে নিয়ে ১২২ রানের দারুণ এক জুটি গড়েন ক্রিস গেইল। এরপর ২২ রানের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারায় উইন্ডিজ।
ক্রিস গেইল খেলেন ৮৪ বলে ৮৭ রানের দারুণ এক ইনিংস। মারেন ৮টি চার ও ৬টি ছক্কা। এছাড়া ৪৫ বলে ৮টি চার ও ১টি ছক্কায় ৫৪ রান করেন হেটমায়ের। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে ৩০ রানের খরচায় ৪টি উইকেট নিয়েছেন বোল্ট। ৫৯ রানের বিনিময়ে ৩টি উইকেট পান ফার্গুসন।
এর আগে টসে হেরে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৯১ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সেঞ্চুরি করে ম্যাচ জেতানো উইলিয়ামসন এদিনও খেললেন ১৫৪ বলে ১৪টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৪৮ রানের হার না মানা এক ইনিংস। দলকে এনে দেন লড়াইয়ের পুঁজি। ওয়েস্ট উইন্ডিজের পক্ষে ৫৬ রানে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট নেন কটরেল। এছাড়া ২ উইকেট নিয়েছেন ব্র্যাথওয়েট।
এই জয়ে ৬ ম্যাচ খেলে ১১ পয়েন্ট নিয়ে আবারও পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠেছে নিউ জিল্যান্ড।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
নিউ জিল্যান্ড: ৫০ ওভারে ২৯১/৮ (গাপটিল ০, মানরো ০, উইলিয়ামসন ১৪৮, টেইলর ৬৯, ল্যাথাম ১২, নিশাম ২৮, ডি গ্র্যান্ডহোম ১৬, স্যান্টনার ১০, হেনরি ০*; কটরেল ৫৬/৪, ব্র্যাথওয়েট ৫৮/২, গেইল ৮/১)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ৪৯ ওভারে ২৮৬ (গেইল ৮৭, হোপ ১, পুরান ১, হেটমায়ার ৫৪, হোল্ডার ০, ব্র্যাথওয়েট ১০১, নার্স ১, লুইস ০, রোচ ১৪, কটরেল ১৫, টমাস ০*; বোল্ট ৩০/৪, হেনরি ৭৬/১, ফার্গুসন ৫৯/৩, নিশাম ৩৫/১, ডি গ্র্যান্ডহোম ২২/১)
ফল: নিউ জিল্যান্ড ৫ রানে জয়ী
ম্যান অব দা ম্যাচ: কেন উইলিয়ামসন
খেলাধুলা
লড়াকু ব্রাথওয়েট দুর্ভাগা ব্রাথওয়েট
খাদের কিনারা থেকে একাই দলকে জয়ের বন্দরে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন কার্লোস ব্রাথওয়েট। মাত্র ৮০ বলে করেছেন দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি। কিন্তু তীরে এসে তরী ডুবালেন দুর্ভাগা ব্রাথওয়েট। ছক্কা মেরে ম্যাচ জেতাতে গিয়ে একেবারে বাউন্ডারি লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেন্ট বোল্টের তালুবন্দি হন তিনি। রোমাঞ্চকর এক লড়াইয়ে নিউজিল্যান্ডের কাছে দল হেরে যায় মাত্র ৫ রানে। এ হারে বিশ্বকাপ থেকে এক প্রকার ছিটকে গেলেন তারা।
শেল্ডন কটরেল যখন আউট হয়ে ফেরেন উইন্ডিজ তখন জয় থেকে ৪৭ রান দূরে। হাতে মাত্র এক উইকেট। একটু এদিক সেদিক হলেই ম্যাচ হেরে যাবে দল। এরপর থেকে একাই স্ট্রাইক নিয়ে খেলতে থাকলেন ব্রাথওয়েট। ৪৮ তম ওভারে চড়াও হয়ে ম্যাট হেনরির এক ওভারেই তুলে নেন ২৫ রান। লাস্ট দুই ওভারে প্রয়োজন মাত্র ৮ রান। ৪৯ তম ওভারের চতুর্থ বলে ২ রান নিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন পাহাড়সম চাপের মধ্যে। সেঞ্চুরি সাজান ৯টি চার ও ৫টি ছক্কায়। ম্যাচ নিয়ে আসেন জয়ের বন্দরে। কিন্তু লাস্ট বলে সিঙ্গেল না নিয়ে ছেয়েছিলেন ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ জিততে। এছাড়া আর উপায়ও ছিলনা। তবে দুর্ভাগ্য, একেবারে বাউন্ডারি লাইনে দাঁড়িয়ে ক্যাচটি ধরে নেন ট্রেন্ট বোল্ট।
২৯১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা মোটেও ভালো করতে পারেনি উইন্ডিজ। দলীয় ২০ রানেই দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দলটি। তৃতীয় উইকেটে শিমরন হেটমায়েরকে নিয়ে ১২২ রানের দারুণ এক জুটি গড়েন ক্রিস গেইল। এরপর ২২ রানের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারায় উইন্ডিজ।
ক্রিস গেইল খেলেন ৮৪ বলে ৮৭ রানের দারুণ এক ইনিংস। মারেন ৮টি চার ও ৬টি ছক্কা। এছাড়া ৪৫ বলে ৮টি চার ও ১টি ছক্কায় ৫৪ রান করেন হেটমায়ের। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে ৩০ রানের খরচায় ৪টি উইকেট নিয়েছেন বোল্ট। ৫৯ রানের বিনিময়ে ৩টি উইকেট পান ফার্গুসন।
এর আগে টসে হেরে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৯১ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সেঞ্চুরি করে ম্যাচ জেতানো উইলিয়ামসন এদিনও খেললেন ১৫৪ বলে ১৪টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৪৮ রানের হার না মানা এক ইনিংস। দলকে এনে দেন লড়াইয়ের পুঁজি। ওয়েস্ট উইন্ডিজের পক্ষে ৫৬ রানে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট নেন কটরেল। এছাড়া ২ উইকেট নিয়েছেন ব্র্যাথওয়েট।
এই জয়ে ৬ ম্যাচ খেলে ১১ পয়েন্ট নিয়ে আবারও পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠেছে নিউ জিল্যান্ড।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
নিউ জিল্যান্ড: ৫০ ওভারে ২৯১/৮ (গাপটিল ০, মানরো ০, উইলিয়ামসন ১৪৮, টেইলর ৬৯, ল্যাথাম ১২, নিশাম ২৮, ডি গ্র্যান্ডহোম ১৬, স্যান্টনার ১০, হেনরি ০*; কটরেল ৫৬/৪, ব্র্যাথওয়েট ৫৮/২, গেইল ৮/১)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ৪৯ ওভারে ২৮৬ (গেইল ৮৭, হোপ ১, পুরান ১, হেটমায়ার ৫৪, হোল্ডার ০, ব্র্যাথওয়েট ১০১, নার্স ১, লুইস ০, রোচ ১৪, কটরেল ১৫, টমাস ০*; বোল্ট ৩০/৪, হেনরি ৭৬/১, ফার্গুসন ৫৯/৩, নিশাম ৩৫/১, ডি গ্র্যান্ডহোম ২২/১)
ফল: নিউ জিল্যান্ড ৫ রানে জয়ী
ম্যান অব দা ম্যাচ: কেন উইলিয়ামসন
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
খাদের কিনারা থেকে একাই দলকে জয়ের বন্দরে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন কার্লোস ব্রাথওয়েট। মাত্র ৮০ বলে করেছেন দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি। কিন্তু তীরে এসে তরী ডুবালেন দুর্ভাগা ব্রাথওয়েট। ছক্কা মেরে ম্যাচ জেতাতে গিয়ে একেবারে বাউন্ডারি লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেন্ট বোল্টের তালুবন্দি হন তিনি। রোমাঞ্চকর এক লড়াইয়ে নিউজিল্যান্ডের কাছে দল হেরে যায় মাত্র ৫ রানে। এ হারে বিশ্বকাপ থেকে এক প্রকার ছিটকে গেলেন তারা।
শেল্ডন কটরেল যখন আউট হয়ে ফেরেন উইন্ডিজ তখন জয় থেকে ৪৭ রান দূরে। হাতে মাত্র এক উইকেট। একটু এদিক সেদিক হলেই ম্যাচ হেরে যাবে দল। এরপর থেকে একাই স্ট্রাইক নিয়ে খেলতে থাকলেন ব্রাথওয়েট। ৪৮ তম ওভারে চড়াও হয়ে ম্যাট হেনরির এক ওভারেই তুলে নেন ২৫ রান। লাস্ট দুই ওভারে প্রয়োজন মাত্র ৮ রান। ৪৯ তম ওভারের চতুর্থ বলে ২ রান নিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন পাহাড়সম চাপের মধ্যে। সেঞ্চুরি সাজান ৯টি চার ও ৫টি ছক্কায়। ম্যাচ নিয়ে আসেন জয়ের বন্দরে। কিন্তু লাস্ট বলে সিঙ্গেল না নিয়ে ছেয়েছিলেন ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ জিততে। এছাড়া আর উপায়ও ছিলনা। তবে দুর্ভাগ্য, একেবারে বাউন্ডারি লাইনে দাঁড়িয়ে ক্যাচটি ধরে নেন ট্রেন্ট বোল্ট।
২৯১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা মোটেও ভালো করতে পারেনি উইন্ডিজ। দলীয় ২০ রানেই দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দলটি। তৃতীয় উইকেটে শিমরন হেটমায়েরকে নিয়ে ১২২ রানের দারুণ এক জুটি গড়েন ক্রিস গেইল। এরপর ২২ রানের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারায় উইন্ডিজ।
ক্রিস গেইল খেলেন ৮৪ বলে ৮৭ রানের দারুণ এক ইনিংস। মারেন ৮টি চার ও ৬টি ছক্কা। এছাড়া ৪৫ বলে ৮টি চার ও ১টি ছক্কায় ৫৪ রান করেন হেটমায়ের। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে ৩০ রানের খরচায় ৪টি উইকেট নিয়েছেন বোল্ট। ৫৯ রানের বিনিময়ে ৩টি উইকেট পান ফার্গুসন।
এর আগে টসে হেরে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৯১ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সেঞ্চুরি করে ম্যাচ জেতানো উইলিয়ামসন এদিনও খেললেন ১৫৪ বলে ১৪টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৪৮ রানের হার না মানা এক ইনিংস। দলকে এনে দেন লড়াইয়ের পুঁজি। ওয়েস্ট উইন্ডিজের পক্ষে ৫৬ রানে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট নেন কটরেল। এছাড়া ২ উইকেট নিয়েছেন ব্র্যাথওয়েট।
এই জয়ে ৬ ম্যাচ খেলে ১১ পয়েন্ট নিয়ে আবারও পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠেছে নিউ জিল্যান্ড।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
নিউ জিল্যান্ড: ৫০ ওভারে ২৯১/৮ (গাপটিল ০, মানরো ০, উইলিয়ামসন ১৪৮, টেইলর ৬৯, ল্যাথাম ১২, নিশাম ২৮, ডি গ্র্যান্ডহোম ১৬, স্যান্টনার ১০, হেনরি ০*; কটরেল ৫৬/৪, ব্র্যাথওয়েট ৫৮/২, গেইল ৮/১)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ৪৯ ওভারে ২৮৬ (গেইল ৮৭, হোপ ১, পুরান ১, হেটমায়ার ৫৪, হোল্ডার ০, ব্র্যাথওয়েট ১০১, নার্স ১, লুইস ০, রোচ ১৪, কটরেল ১৫, টমাস ০*; বোল্ট ৩০/৪, হেনরি ৭৬/১, ফার্গুসন ৫৯/৩, নিশাম ৩৫/১, ডি গ্র্যান্ডহোম ২২/১)
ফল: নিউ জিল্যান্ড ৫ রানে জয়ী
ম্যান অব দা ম্যাচ: কেন উইলিয়ামসন
আপনার মতামত লিখুন :