বাংলাদেশ জাতীয়
রূপপুর বালিশকাণ্ড: তদন্ত প্রতিবেদন ৩০ জুনের মধ্যে
ফাইল ছবি
পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আলোচিত ‘বালিশকাণ্ডের’ অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন আগামী ৩০ জুনের মধ্যে জমা হবে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
রোববার (২৩ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে শুদ্ধাচার পুরস্কার ২০১৭-১৮ সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, ‘রূপপুরে দুর্নীতির ঘটনায় যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে, অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রতিবেদনের ভেতরই সীমাবদ্ধ থাকবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিষয়টি একটু গভীরে গিয়ে আমরা তদন্ত করতে চাচ্ছি, দায়সারাভাবে নয়। আমরা ৩০ দিন সময় বাড়িয়েছি। প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা রিপোর্ট প্রকাশের প্র্যাকটিস করছি।’
মন্ত্রী এসময় ৩০ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘আশা করি ৩০ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন পেয়ে যাব। এরপর সেটা সবার সামনে প্রকাশ করব। কিছুই গোপন থাকবে না।’
উল্লেখ্য, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থাকার জন্য নির্মাণাধীন ভবনের প্রয়োজনীয় আসবাব ও অন্যান্য জিনিসপত্র ক্রয়ের অনিয়ম নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রতিবেদন প্রকাশ করে। যেখানে একটি বালিশের পেছনে ব্যয় দেখানো হয়েছে ৬ হাজার ৭১৭ টাকা। এর মধ্যে এর দাম বাবদ ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা আর সেই বালিশ নিচ থেকে ফ্ল্যাটে ওঠাতে খরচ ৭৬০ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।
সারা দেশে এই কেলেঙ্কারি ‘বালিশ দুর্নীতি’ হিসেবে আলোচিত হয়। পরে একজন অতিরিক্ত সচিবকে প্রধান করে এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে অভিযোগ যাচাইয়ে দুই তদন্ত কমিটির কোনও প্রতিবেদন না দেওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে সব ধরনের অর্থ দেওয়া বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেয় মন্ত্রণালয়।
বাংলাদেশ জাতীয়
রূপপুর বালিশকাণ্ড: তদন্ত প্রতিবেদন ৩০ জুনের মধ্যে
ফাইল ছবি
পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আলোচিত ‘বালিশকাণ্ডের’ অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন আগামী ৩০ জুনের মধ্যে জমা হবে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
রোববার (২৩ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে শুদ্ধাচার পুরস্কার ২০১৭-১৮ সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, ‘রূপপুরে দুর্নীতির ঘটনায় যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে, অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রতিবেদনের ভেতরই সীমাবদ্ধ থাকবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিষয়টি একটু গভীরে গিয়ে আমরা তদন্ত করতে চাচ্ছি, দায়সারাভাবে নয়। আমরা ৩০ দিন সময় বাড়িয়েছি। প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা রিপোর্ট প্রকাশের প্র্যাকটিস করছি।’
মন্ত্রী এসময় ৩০ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘আশা করি ৩০ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন পেয়ে যাব। এরপর সেটা সবার সামনে প্রকাশ করব। কিছুই গোপন থাকবে না।’
উল্লেখ্য, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থাকার জন্য নির্মাণাধীন ভবনের প্রয়োজনীয় আসবাব ও অন্যান্য জিনিসপত্র ক্রয়ের অনিয়ম নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রতিবেদন প্রকাশ করে। যেখানে একটি বালিশের পেছনে ব্যয় দেখানো হয়েছে ৬ হাজার ৭১৭ টাকা। এর মধ্যে এর দাম বাবদ ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা আর সেই বালিশ নিচ থেকে ফ্ল্যাটে ওঠাতে খরচ ৭৬০ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।
সারা দেশে এই কেলেঙ্কারি ‘বালিশ দুর্নীতি’ হিসেবে আলোচিত হয়। পরে একজন অতিরিক্ত সচিবকে প্রধান করে এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে অভিযোগ যাচাইয়ে দুই তদন্ত কমিটির কোনও প্রতিবেদন না দেওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে সব ধরনের অর্থ দেওয়া বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেয় মন্ত্রণালয়।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
ফাইল ছবি
পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আলোচিত ‘বালিশকাণ্ডের’ অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন আগামী ৩০ জুনের মধ্যে জমা হবে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
রোববার (২৩ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে শুদ্ধাচার পুরস্কার ২০১৭-১৮ সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, ‘রূপপুরে দুর্নীতির ঘটনায় যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে, অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রতিবেদনের ভেতরই সীমাবদ্ধ থাকবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিষয়টি একটু গভীরে গিয়ে আমরা তদন্ত করতে চাচ্ছি, দায়সারাভাবে নয়। আমরা ৩০ দিন সময় বাড়িয়েছি। প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা রিপোর্ট প্রকাশের প্র্যাকটিস করছি।’
মন্ত্রী এসময় ৩০ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘আশা করি ৩০ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন পেয়ে যাব। এরপর সেটা সবার সামনে প্রকাশ করব। কিছুই গোপন থাকবে না।’
উল্লেখ্য, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থাকার জন্য নির্মাণাধীন ভবনের প্রয়োজনীয় আসবাব ও অন্যান্য জিনিসপত্র ক্রয়ের অনিয়ম নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রতিবেদন প্রকাশ করে। যেখানে একটি বালিশের পেছনে ব্যয় দেখানো হয়েছে ৬ হাজার ৭১৭ টাকা। এর মধ্যে এর দাম বাবদ ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা আর সেই বালিশ নিচ থেকে ফ্ল্যাটে ওঠাতে খরচ ৭৬০ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।
সারা দেশে এই কেলেঙ্কারি ‘বালিশ দুর্নীতি’ হিসেবে আলোচিত হয়। পরে একজন অতিরিক্ত সচিবকে প্রধান করে এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে অভিযোগ যাচাইয়ে দুই তদন্ত কমিটির কোনও প্রতিবেদন না দেওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে সব ধরনের অর্থ দেওয়া বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেয় মন্ত্রণালয়।
আপনার মতামত লিখুন :