বাংলাদেশ জাতীয়
আরও ৫ জেলের মৃতদেহ উদ্ধার, মৃতের সংখ্যা মোট ১১
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে আরও পাঁচ জেলের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঝড়ের কবলে পড়ে ধরার ট্রলারডুবির ঘটনায় এ নিয়ে গত তিন দিনে মৃতদেহ উদ্ধারের সংখ্যা ১১জনে দাঁড়িয়েছে।
বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার রাতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন জায়গা থেকে জেলেদের লাশ উদ্ধার করা হয়।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. ইকবাল হোছাইন জানিয়েছেন, সাগরে ঝড়ের কবলে পড়ে মাছ ধরার ট্রলার ডুবির ঘটনায় এসব জেলের মৃত্যু হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে হিমছড়ি থেকে ১জন, মহেশখালীর হোয়ানক থেকে ১জন এবং ওইদিন রাত ১০টা থেকে শুক্রবার ভোররাত পর্যন্ত কক্সবাজার সৈকতের সমিতি পাড়া থেকে ৩জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
কক্সবাজার সদর থানার ওসি (তদন্ত) মো. খায়রুজ্জামান জানান, উদ্ধার হওয়া জেলেদের মধ্যে ছয় জনের পরিচয় মিলেছে। তারা হচ্ছেন- ভোলার চরফ্যাশনের পূর্ব মাদ্রাসা এলাকার তরিফ মাঝির ছেলে কামাল হোসেন (৩৫), চরফ্যাশনের উত্তর মাদ্রাসা এলাকার নুরু মাঝির ছেলে অলি উল্লাহ (৪০), একই এলাকার ফজু হাওলাদারের ছেলে অজি উল্লাহ (৩৫), মৃত আব্দুল হকের ছেলে মো. মাসুদ (৩৮), শহিদুল ইসলামের ছেলে বাবুল মিয়া (৩০) ও নজিব ইসলামের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৩২)।
অপর পাঁচজনের পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শনাক্ত হওয়া ছয়জনের মৃতদেহ স্বজনের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
এর আগে বুধবার সকালে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সি-গাল পয়েন্ট থেকে মাছ ধরার একটি ট্রলার উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেই সাথে ছয় জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই ট্রলার থেকে আরো দুই জেলেকে জীবিত উদ্ধার হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ট্রলারের মালিক ভোলার চরফ্যাশন এলাকার ওয়াজ উদ্দিন। এ ঘটনায় জীবিত উদ্ধার দুইজন এখনও কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জীবিত উদ্ধার হওয়া মনির আহমদ মাঝি জানান, গত ৪ জুলাই ভোলার চরফ্যাশনের শামরাজ ঘাট থেকে তারা মাছ ধরার জন্য সাগরে পাড়ি দেয়। মোট ১৪ জন জেলে ওই ট্রলারে ছিলেন। ট্রলারটি গত ৬ জুলাই ভোরে হঠাৎ ঝড়ো হাওয়া ও উত্তাল ঢেউয়ের কবলে পড়ে।
বাংলাদেশ জাতীয়
আরও ৫ জেলের মৃতদেহ উদ্ধার, মৃতের সংখ্যা মোট ১১
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে আরও পাঁচ জেলের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঝড়ের কবলে পড়ে ধরার ট্রলারডুবির ঘটনায় এ নিয়ে গত তিন দিনে মৃতদেহ উদ্ধারের সংখ্যা ১১জনে দাঁড়িয়েছে।
বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার রাতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন জায়গা থেকে জেলেদের লাশ উদ্ধার করা হয়।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. ইকবাল হোছাইন জানিয়েছেন, সাগরে ঝড়ের কবলে পড়ে মাছ ধরার ট্রলার ডুবির ঘটনায় এসব জেলের মৃত্যু হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে হিমছড়ি থেকে ১জন, মহেশখালীর হোয়ানক থেকে ১জন এবং ওইদিন রাত ১০টা থেকে শুক্রবার ভোররাত পর্যন্ত কক্সবাজার সৈকতের সমিতি পাড়া থেকে ৩জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
কক্সবাজার সদর থানার ওসি (তদন্ত) মো. খায়রুজ্জামান জানান, উদ্ধার হওয়া জেলেদের মধ্যে ছয় জনের পরিচয় মিলেছে। তারা হচ্ছেন- ভোলার চরফ্যাশনের পূর্ব মাদ্রাসা এলাকার তরিফ মাঝির ছেলে কামাল হোসেন (৩৫), চরফ্যাশনের উত্তর মাদ্রাসা এলাকার নুরু মাঝির ছেলে অলি উল্লাহ (৪০), একই এলাকার ফজু হাওলাদারের ছেলে অজি উল্লাহ (৩৫), মৃত আব্দুল হকের ছেলে মো. মাসুদ (৩৮), শহিদুল ইসলামের ছেলে বাবুল মিয়া (৩০) ও নজিব ইসলামের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৩২)।
অপর পাঁচজনের পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শনাক্ত হওয়া ছয়জনের মৃতদেহ স্বজনের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
এর আগে বুধবার সকালে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সি-গাল পয়েন্ট থেকে মাছ ধরার একটি ট্রলার উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেই সাথে ছয় জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই ট্রলার থেকে আরো দুই জেলেকে জীবিত উদ্ধার হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ট্রলারের মালিক ভোলার চরফ্যাশন এলাকার ওয়াজ উদ্দিন। এ ঘটনায় জীবিত উদ্ধার দুইজন এখনও কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জীবিত উদ্ধার হওয়া মনির আহমদ মাঝি জানান, গত ৪ জুলাই ভোলার চরফ্যাশনের শামরাজ ঘাট থেকে তারা মাছ ধরার জন্য সাগরে পাড়ি দেয়। মোট ১৪ জন জেলে ওই ট্রলারে ছিলেন। ট্রলারটি গত ৬ জুলাই ভোরে হঠাৎ ঝড়ো হাওয়া ও উত্তাল ঢেউয়ের কবলে পড়ে।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে আরও পাঁচ জেলের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঝড়ের কবলে পড়ে ধরার ট্রলারডুবির ঘটনায় এ নিয়ে গত তিন দিনে মৃতদেহ উদ্ধারের সংখ্যা ১১জনে দাঁড়িয়েছে।
বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার রাতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন জায়গা থেকে জেলেদের লাশ উদ্ধার করা হয়।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. ইকবাল হোছাইন জানিয়েছেন, সাগরে ঝড়ের কবলে পড়ে মাছ ধরার ট্রলার ডুবির ঘটনায় এসব জেলের মৃত্যু হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে হিমছড়ি থেকে ১জন, মহেশখালীর হোয়ানক থেকে ১জন এবং ওইদিন রাত ১০টা থেকে শুক্রবার ভোররাত পর্যন্ত কক্সবাজার সৈকতের সমিতি পাড়া থেকে ৩জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
কক্সবাজার সদর থানার ওসি (তদন্ত) মো. খায়রুজ্জামান জানান, উদ্ধার হওয়া জেলেদের মধ্যে ছয় জনের পরিচয় মিলেছে। তারা হচ্ছেন- ভোলার চরফ্যাশনের পূর্ব মাদ্রাসা এলাকার তরিফ মাঝির ছেলে কামাল হোসেন (৩৫), চরফ্যাশনের উত্তর মাদ্রাসা এলাকার নুরু মাঝির ছেলে অলি উল্লাহ (৪০), একই এলাকার ফজু হাওলাদারের ছেলে অজি উল্লাহ (৩৫), মৃত আব্দুল হকের ছেলে মো. মাসুদ (৩৮), শহিদুল ইসলামের ছেলে বাবুল মিয়া (৩০) ও নজিব ইসলামের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৩২)।
অপর পাঁচজনের পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শনাক্ত হওয়া ছয়জনের মৃতদেহ স্বজনের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
এর আগে বুধবার সকালে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সি-গাল পয়েন্ট থেকে মাছ ধরার একটি ট্রলার উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেই সাথে ছয় জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই ট্রলার থেকে আরো দুই জেলেকে জীবিত উদ্ধার হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ট্রলারের মালিক ভোলার চরফ্যাশন এলাকার ওয়াজ উদ্দিন। এ ঘটনায় জীবিত উদ্ধার দুইজন এখনও কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জীবিত উদ্ধার হওয়া মনির আহমদ মাঝি জানান, গত ৪ জুলাই ভোলার চরফ্যাশনের শামরাজ ঘাট থেকে তারা মাছ ধরার জন্য সাগরে পাড়ি দেয়। মোট ১৪ জন জেলে ওই ট্রলারে ছিলেন। ট্রলারটি গত ৬ জুলাই ভোরে হঠাৎ ঝড়ো হাওয়া ও উত্তাল ঢেউয়ের কবলে পড়ে।
আপনার মতামত লিখুন :