বাংলাদেশ আইন ও আদালত
কারাগারে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের তিন সদস্য
আদালত আজ শনিবার সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের তিন সক্রিয় সদস্যকে কারাগারে পাঠিয়েছেন।
ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ শনিবার এই আদেশ দেন।
তিন আসামি হলেন পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার দাড়মুদা গ্রামের আবদুল বাছেদের ছেলে রাসেল হোসেন (২১), রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানার উত্তর গাঁওপাড়া গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে জুয়েল মাহমুদ এবং খিলগাঁও এলাকার আবদুল জব্বারের ছেলে আবু জাফর সোহেল (৩৬)।
রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশের এন্টি টেররিজম ইউনিট গত ৯ সেপ্টেম্বর আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের এই তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় এ ঘটনায় এন্টি টেররিজম ইউনিটের পরিদর্শক রুহুল আমিন বাদী হয়ে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা করেন।
বিভিন্ন জিহাদি বই, ছয়টি মোবাইল ফোন, নগদ ১০ হাজার ৫৩৫ টাকা জব্দ করা হয় আসামিদের কাছ থেকে।
আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের এই তিন সদস্যকে গত ১০ সেপ্টেম্বর ঢাকার আদালতে হাজির করে পুলিশ দশ দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে। আদালত শুনানি নিয়ে প্রত্যেক আসামির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা স্বীকার করেছেন, এক বছরের অধিক সময় ধরে অনলাইনে অপপ্রচার চালিয়ে আসছিল বলে জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম।
উত্তরা পশ্চিম থানা-পুলিশ আদালতকে প্রতিবেদন দিয়ে বলছে, ফেসবুকসহ বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল আসামিরা। বিভিন্ন সদস্যদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে উগ্রপন্থী মতবাদ প্রচারের জন্য বিভিন্ন ধরনের বই, লিফলেট প্রচারপত্র তৈরি করত। আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য বাংলাদেশ সরকার বিরোধী ষড়যন্ত্র চালিয়ে আসছিল।
বাংলাদেশ আইন ও আদালত
কারাগারে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের তিন সদস্য
আদালত আজ শনিবার সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের তিন সক্রিয় সদস্যকে কারাগারে পাঠিয়েছেন।
ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ শনিবার এই আদেশ দেন।
তিন আসামি হলেন পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার দাড়মুদা গ্রামের আবদুল বাছেদের ছেলে রাসেল হোসেন (২১), রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানার উত্তর গাঁওপাড়া গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে জুয়েল মাহমুদ এবং খিলগাঁও এলাকার আবদুল জব্বারের ছেলে আবু জাফর সোহেল (৩৬)।
রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশের এন্টি টেররিজম ইউনিট গত ৯ সেপ্টেম্বর আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের এই তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় এ ঘটনায় এন্টি টেররিজম ইউনিটের পরিদর্শক রুহুল আমিন বাদী হয়ে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা করেন।
বিভিন্ন জিহাদি বই, ছয়টি মোবাইল ফোন, নগদ ১০ হাজার ৫৩৫ টাকা জব্দ করা হয় আসামিদের কাছ থেকে।
আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের এই তিন সদস্যকে গত ১০ সেপ্টেম্বর ঢাকার আদালতে হাজির করে পুলিশ দশ দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে। আদালত শুনানি নিয়ে প্রত্যেক আসামির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা স্বীকার করেছেন, এক বছরের অধিক সময় ধরে অনলাইনে অপপ্রচার চালিয়ে আসছিল বলে জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম।
উত্তরা পশ্চিম থানা-পুলিশ আদালতকে প্রতিবেদন দিয়ে বলছে, ফেসবুকসহ বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল আসামিরা। বিভিন্ন সদস্যদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে উগ্রপন্থী মতবাদ প্রচারের জন্য বিভিন্ন ধরনের বই, লিফলেট প্রচারপত্র তৈরি করত। আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য বাংলাদেশ সরকার বিরোধী ষড়যন্ত্র চালিয়ে আসছিল।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
আদালত আজ শনিবার সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের তিন সক্রিয় সদস্যকে কারাগারে পাঠিয়েছেন।
ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ শনিবার এই আদেশ দেন।
তিন আসামি হলেন পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার দাড়মুদা গ্রামের আবদুল বাছেদের ছেলে রাসেল হোসেন (২১), রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানার উত্তর গাঁওপাড়া গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে জুয়েল মাহমুদ এবং খিলগাঁও এলাকার আবদুল জব্বারের ছেলে আবু জাফর সোহেল (৩৬)।
রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশের এন্টি টেররিজম ইউনিট গত ৯ সেপ্টেম্বর আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের এই তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় এ ঘটনায় এন্টি টেররিজম ইউনিটের পরিদর্শক রুহুল আমিন বাদী হয়ে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা করেন।
বিভিন্ন জিহাদি বই, ছয়টি মোবাইল ফোন, নগদ ১০ হাজার ৫৩৫ টাকা জব্দ করা হয় আসামিদের কাছ থেকে।
আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের এই তিন সদস্যকে গত ১০ সেপ্টেম্বর ঢাকার আদালতে হাজির করে পুলিশ দশ দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে। আদালত শুনানি নিয়ে প্রত্যেক আসামির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা স্বীকার করেছেন, এক বছরের অধিক সময় ধরে অনলাইনে অপপ্রচার চালিয়ে আসছিল বলে জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম।
উত্তরা পশ্চিম থানা-পুলিশ আদালতকে প্রতিবেদন দিয়ে বলছে, ফেসবুকসহ বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল আসামিরা। বিভিন্ন সদস্যদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে উগ্রপন্থী মতবাদ প্রচারের জন্য বিভিন্ন ধরনের বই, লিফলেট প্রচারপত্র তৈরি করত। আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য বাংলাদেশ সরকার বিরোধী ষড়যন্ত্র চালিয়ে আসছিল।
আপনার মতামত লিখুন :