অর্থনীতি বাণিজ্য
পেঁয়াজের দাম বেড়েছে পাইকারি বাজারে
রাজধানীর পাইকারি বাজারে আদা ও রসুনের দাম কমলেও আবারো বাড়তে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম। বিক্রেতাদের দাবি ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি কম হওয়ায় দাম বেড়েছে।
পেঁয়াজের বাজার কোরবানের পর থেকে উর্ধ্বমুখী। চাহিদা অনুযায়ী আমদানি না হলে, দাম আরো বাড়ার আশঙ্কা পাইকারদের। তবে কেজিতে ১০ থেকে ১২ টাকা কমেছে রসুন ও আদার দাম।
কয়েকদিন ধরে বাজারে মাল আমদানি কম এই কারণে বাজারে একটু বাড়তি দাম বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
তেলের বাজার কিছুটা অস্থির। সেই সাথে চিনির দামও বাড়তির দিকে। প্রতি কেজিতে চিনির দাম বেড়েছে ৪০ থেকে ৫০ পয়সা। পামঅয়েলের দাম কেজিতে ১ টাকা বেড়ে বিক্রি করা হচ্ছে ৬৪ টাকায়। পাইকারি বিক্রেতারা জানান, ডিলাররা বাজারে পর্যাপ্ত চিনি না ছাড়ায় দাম বেড়েছে।
চালের বাজার অপরিবর্তিত আছে। পাইকাররা জানান সামনে আমন মৌসুম, তাই চালের দাম বাড়ার কোন সম্ভাবনা নেই। সব ধরনের ডালের দাম স্থিতিশীল আছে।
এলাচ, জিরাসহ সব ধরনের গরম মসলা বিক্রি হচ্ছে আগের মতোই বাড়তি দামেই।
অর্থনীতি বাণিজ্য
পেঁয়াজের দাম বেড়েছে পাইকারি বাজারে
রাজধানীর পাইকারি বাজারে আদা ও রসুনের দাম কমলেও আবারো বাড়তে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম। বিক্রেতাদের দাবি ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি কম হওয়ায় দাম বেড়েছে।
পেঁয়াজের বাজার কোরবানের পর থেকে উর্ধ্বমুখী। চাহিদা অনুযায়ী আমদানি না হলে, দাম আরো বাড়ার আশঙ্কা পাইকারদের। তবে কেজিতে ১০ থেকে ১২ টাকা কমেছে রসুন ও আদার দাম।
কয়েকদিন ধরে বাজারে মাল আমদানি কম এই কারণে বাজারে একটু বাড়তি দাম বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
তেলের বাজার কিছুটা অস্থির। সেই সাথে চিনির দামও বাড়তির দিকে। প্রতি কেজিতে চিনির দাম বেড়েছে ৪০ থেকে ৫০ পয়সা। পামঅয়েলের দাম কেজিতে ১ টাকা বেড়ে বিক্রি করা হচ্ছে ৬৪ টাকায়। পাইকারি বিক্রেতারা জানান, ডিলাররা বাজারে পর্যাপ্ত চিনি না ছাড়ায় দাম বেড়েছে।
চালের বাজার অপরিবর্তিত আছে। পাইকাররা জানান সামনে আমন মৌসুম, তাই চালের দাম বাড়ার কোন সম্ভাবনা নেই। সব ধরনের ডালের দাম স্থিতিশীল আছে।
এলাচ, জিরাসহ সব ধরনের গরম মসলা বিক্রি হচ্ছে আগের মতোই বাড়তি দামেই।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
রাজধানীর পাইকারি বাজারে আদা ও রসুনের দাম কমলেও আবারো বাড়তে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম। বিক্রেতাদের দাবি ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি কম হওয়ায় দাম বেড়েছে।
পেঁয়াজের বাজার কোরবানের পর থেকে উর্ধ্বমুখী। চাহিদা অনুযায়ী আমদানি না হলে, দাম আরো বাড়ার আশঙ্কা পাইকারদের। তবে কেজিতে ১০ থেকে ১২ টাকা কমেছে রসুন ও আদার দাম।
কয়েকদিন ধরে বাজারে মাল আমদানি কম এই কারণে বাজারে একটু বাড়তি দাম বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
তেলের বাজার কিছুটা অস্থির। সেই সাথে চিনির দামও বাড়তির দিকে। প্রতি কেজিতে চিনির দাম বেড়েছে ৪০ থেকে ৫০ পয়সা। পামঅয়েলের দাম কেজিতে ১ টাকা বেড়ে বিক্রি করা হচ্ছে ৬৪ টাকায়। পাইকারি বিক্রেতারা জানান, ডিলাররা বাজারে পর্যাপ্ত চিনি না ছাড়ায় দাম বেড়েছে।
চালের বাজার অপরিবর্তিত আছে। পাইকাররা জানান সামনে আমন মৌসুম, তাই চালের দাম বাড়ার কোন সম্ভাবনা নেই। সব ধরনের ডালের দাম স্থিতিশীল আছে।
এলাচ, জিরাসহ সব ধরনের গরম মসলা বিক্রি হচ্ছে আগের মতোই বাড়তি দামেই।
আপনার মতামত লিখুন :