বাংলাদেশ জাতীয়
অঘোষিত ধর্মঘট, বিচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগ
সড়কের নতুন আইন সংশোধনের দাবিতে ধর্মঘট শুরু হওয়ার পর রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে পণ্য ও যাত্রী পরিবহন বন্ধ। পরিবহন সংকটে দুর্ভোগে পড়েছেন রাজধানীর বাসিন্দারা। সকাল থেকেই রাজধানীর বাসস্ট্যান্ডে, সড়কের বিভিন্ন স্থানে যাত্রীদের বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। অনেকে রিকশায়, ভ্যানে বা বিকল্প পন্থায় কর্মস্থলে গেছেন।
ঢাকার তিনটি বাস টার্মিনাল গাবতলী, মহাখালী ও সায়েদাবাদ থেকেও দূরপাল্লার এবং আন্তজেলার বাস চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে বৃহত্তর ময়মনসিংহ, সিলেট ও খুলনা অঞ্চলে বাস চলাচল বন্ধে সেখানে জনদুর্ভোগ বেশি বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
পরিবহন মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতির সহ সভাপতি আবুল কালাম বলেন, ‘আমরা দূরপাল্লার সড়কে কিছু কিছু বাস পাঠাচ্ছি। কিন্তু ধর্মঘটের কারণে বিভিন্ন জেলায় সেগুলো আটকা পড়ে ফিরতে পারছে না।’
আমাদের প্রতিনিধিরা জানান, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, কুষ্টিয়া, খুলনা, রংপুর, নারায়ণগঞ্জ, পটুয়াখালী, গাজীপুর, বগুড়া, কুমিল্লার দাউদকান্দিসহ বিভিন্ন জেলায় বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।
সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে চলাচলকারী যাত্রীবাহী পরিবহন খুব কম। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন কর্মজীবী মানুষ। রাজধানীর প্রেসক্লাবের সামনে এমন দৃশ্য একেবারে বেমানান অন্তত সপ্তাহের কর্মব্যস্ত দিনের বেলায়। সকালের দিকে প্রায় প্রতিদিন একাধিক সংগঠনের ছোটখাটো সমাবেশ লেগেই থাকে প্রেসক্লাবের সামনে, আজও ছিল। এ সবের কারণে এখানে যানজটের সৃষ্টি হওয়া নৈমিত্তিক ঘটনা। কিন্তু আজ রাস্তা প্রায় ফাঁকা। কিছুক্ষণ পর পর বাস আসছে, সেগুলোতে ভিড় নেই। নতুন সড়ক আইন কার্যকরের প্রতিবাদে আজ সারা দেশে যান চলাচল বন্ধ আছে।
একজন যাত্রী বললেন, অন্য জেলা থেকে মানুষ আসা বন্ধ হওয়ায় রাস্তা ফাঁকা। বাসটি চলছে অপেক্ষাকৃত বেশি গতিতে। সামনে কোনো গাড়ি নেই। অন্য দিন প্রেসক্লাব থেকে আসতে মৎস্য ভবনের পর থেকেই বড় যানজটে আটকে যায় গাড়ি। আজ বাসটি এক টানে চলে এল শাহবাগ পর্যন্ত। সেখানে এসে অবশ্য সিগন্যালে আটকে গেল। এরপর এক টানে বাংলামোটর। সেখান থেকে কারওয়ান বাজারে এসে মাঝারি মানের জট।
-প্রথম আলো
বাংলাদেশ জাতীয়
অঘোষিত ধর্মঘট, বিচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগ
সড়কের নতুন আইন সংশোধনের দাবিতে ধর্মঘট শুরু হওয়ার পর রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে পণ্য ও যাত্রী পরিবহন বন্ধ। পরিবহন সংকটে দুর্ভোগে পড়েছেন রাজধানীর বাসিন্দারা। সকাল থেকেই রাজধানীর বাসস্ট্যান্ডে, সড়কের বিভিন্ন স্থানে যাত্রীদের বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। অনেকে রিকশায়, ভ্যানে বা বিকল্প পন্থায় কর্মস্থলে গেছেন।
ঢাকার তিনটি বাস টার্মিনাল গাবতলী, মহাখালী ও সায়েদাবাদ থেকেও দূরপাল্লার এবং আন্তজেলার বাস চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে বৃহত্তর ময়মনসিংহ, সিলেট ও খুলনা অঞ্চলে বাস চলাচল বন্ধে সেখানে জনদুর্ভোগ বেশি বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
পরিবহন মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতির সহ সভাপতি আবুল কালাম বলেন, ‘আমরা দূরপাল্লার সড়কে কিছু কিছু বাস পাঠাচ্ছি। কিন্তু ধর্মঘটের কারণে বিভিন্ন জেলায় সেগুলো আটকা পড়ে ফিরতে পারছে না।’
আমাদের প্রতিনিধিরা জানান, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, কুষ্টিয়া, খুলনা, রংপুর, নারায়ণগঞ্জ, পটুয়াখালী, গাজীপুর, বগুড়া, কুমিল্লার দাউদকান্দিসহ বিভিন্ন জেলায় বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।
সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে চলাচলকারী যাত্রীবাহী পরিবহন খুব কম। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন কর্মজীবী মানুষ। রাজধানীর প্রেসক্লাবের সামনে এমন দৃশ্য একেবারে বেমানান অন্তত সপ্তাহের কর্মব্যস্ত দিনের বেলায়। সকালের দিকে প্রায় প্রতিদিন একাধিক সংগঠনের ছোটখাটো সমাবেশ লেগেই থাকে প্রেসক্লাবের সামনে, আজও ছিল। এ সবের কারণে এখানে যানজটের সৃষ্টি হওয়া নৈমিত্তিক ঘটনা। কিন্তু আজ রাস্তা প্রায় ফাঁকা। কিছুক্ষণ পর পর বাস আসছে, সেগুলোতে ভিড় নেই। নতুন সড়ক আইন কার্যকরের প্রতিবাদে আজ সারা দেশে যান চলাচল বন্ধ আছে।
একজন যাত্রী বললেন, অন্য জেলা থেকে মানুষ আসা বন্ধ হওয়ায় রাস্তা ফাঁকা। বাসটি চলছে অপেক্ষাকৃত বেশি গতিতে। সামনে কোনো গাড়ি নেই। অন্য দিন প্রেসক্লাব থেকে আসতে মৎস্য ভবনের পর থেকেই বড় যানজটে আটকে যায় গাড়ি। আজ বাসটি এক টানে চলে এল শাহবাগ পর্যন্ত। সেখানে এসে অবশ্য সিগন্যালে আটকে গেল। এরপর এক টানে বাংলামোটর। সেখান থেকে কারওয়ান বাজারে এসে মাঝারি মানের জট।
-প্রথম আলো
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
সড়কের নতুন আইন সংশোধনের দাবিতে ধর্মঘট শুরু হওয়ার পর রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে পণ্য ও যাত্রী পরিবহন বন্ধ। পরিবহন সংকটে দুর্ভোগে পড়েছেন রাজধানীর বাসিন্দারা। সকাল থেকেই রাজধানীর বাসস্ট্যান্ডে, সড়কের বিভিন্ন স্থানে যাত্রীদের বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। অনেকে রিকশায়, ভ্যানে বা বিকল্প পন্থায় কর্মস্থলে গেছেন।
ঢাকার তিনটি বাস টার্মিনাল গাবতলী, মহাখালী ও সায়েদাবাদ থেকেও দূরপাল্লার এবং আন্তজেলার বাস চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে বৃহত্তর ময়মনসিংহ, সিলেট ও খুলনা অঞ্চলে বাস চলাচল বন্ধে সেখানে জনদুর্ভোগ বেশি বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
পরিবহন মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতির সহ সভাপতি আবুল কালাম বলেন, ‘আমরা দূরপাল্লার সড়কে কিছু কিছু বাস পাঠাচ্ছি। কিন্তু ধর্মঘটের কারণে বিভিন্ন জেলায় সেগুলো আটকা পড়ে ফিরতে পারছে না।’
আমাদের প্রতিনিধিরা জানান, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, কুষ্টিয়া, খুলনা, রংপুর, নারায়ণগঞ্জ, পটুয়াখালী, গাজীপুর, বগুড়া, কুমিল্লার দাউদকান্দিসহ বিভিন্ন জেলায় বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।
সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে চলাচলকারী যাত্রীবাহী পরিবহন খুব কম। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন কর্মজীবী মানুষ। রাজধানীর প্রেসক্লাবের সামনে এমন দৃশ্য একেবারে বেমানান অন্তত সপ্তাহের কর্মব্যস্ত দিনের বেলায়। সকালের দিকে প্রায় প্রতিদিন একাধিক সংগঠনের ছোটখাটো সমাবেশ লেগেই থাকে প্রেসক্লাবের সামনে, আজও ছিল। এ সবের কারণে এখানে যানজটের সৃষ্টি হওয়া নৈমিত্তিক ঘটনা। কিন্তু আজ রাস্তা প্রায় ফাঁকা। কিছুক্ষণ পর পর বাস আসছে, সেগুলোতে ভিড় নেই। নতুন সড়ক আইন কার্যকরের প্রতিবাদে আজ সারা দেশে যান চলাচল বন্ধ আছে।
একজন যাত্রী বললেন, অন্য জেলা থেকে মানুষ আসা বন্ধ হওয়ায় রাস্তা ফাঁকা। বাসটি চলছে অপেক্ষাকৃত বেশি গতিতে। সামনে কোনো গাড়ি নেই। অন্য দিন প্রেসক্লাব থেকে আসতে মৎস্য ভবনের পর থেকেই বড় যানজটে আটকে যায় গাড়ি। আজ বাসটি এক টানে চলে এল শাহবাগ পর্যন্ত। সেখানে এসে অবশ্য সিগন্যালে আটকে গেল। এরপর এক টানে বাংলামোটর। সেখান থেকে কারওয়ান বাজারে এসে মাঝারি মানের জট।
-প্রথম আলো
আপনার মতামত লিখুন :