বাংলাদেশ আইন ও আদালত
চকরিয়ায় বৃদ্ধকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন, যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা
কক্সবাজারের চকরিয়ায় নূরুল আলম নামে ৭২ বছরের এক বৃদ্ধকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনায় এক যুবলীগ নেতাসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
ঘটনার পর গত ৩১ মে রাতে বৃদ্ধ নুরুল আলমের ছেলে আশরাফ হোসাইন বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় মামলাটি করেছেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চকরিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এ কে এম শফিকুল আলম চৌধুরী জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চলছে।
এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন- যুবলীগ নেতা আনছুর আলম, ঢেমুশিয়া ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য আরেজ খাতুন, ইউনিয়নের ছয়কুড়িটিক্কা পাড়ার মনির উল্লাহর ছেলে বদিউল আলম (৫৫), বদিউলের ছেলে মিজানুর রহমান (২৮), একই এলাকার আব্দুল জব্বারের দুই ছেলে রিয়াজ উদ্দিন (৩২), জয়নাল আবেদীন (৩০), মঞ্জুর আলমের ছেলে মোহাম্মদ রুবেল (২৮) ও মো. শাহ আলম (৫২) নামে এক ব্যক্তি।
মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, গত ২৪ মে আমার বয়োবৃদ্ধ বাবা নুরুল আলম ঈদের বাজার করে ঢেমুশিয়া স্টেশন থেকে টমটম গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে আনছুর আলমের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী টমটম থেকে বাবাকে নামিয়ে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে পরনের লুঙ্গি ও গেঞ্জি ছিঁড়ে ফেলেন। পাশাপাশি মারধর ও অসভ্য ভাষায় গালিগালাজও করেন। কয়েকজন যুবক এসব ঘটনার মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন। এ সময় আমার বাবা বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করতে থাকেন। পরে ঘটনাটি শোনার পর আমার ছোট ভাই সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সালাহউদ্দিন স্থানীয় লোকজনসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাবাকে উদ্ধার করে স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে নিয়ে যান।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনার সময় আমার বাবার ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোনসেট ও পকেটে থাকা নগদ সাড়ে সাত হাজার টাকাও ছিনিয়ে নেয় তারা। তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে আমার বাবার ওপর অমানবিক এ ঘটনাটি ঘটিয়েছেন আনছুর আলম। তিনি স্থানীয় যুবলীগ নেতা হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। তাঁর বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে। এমন কোনো অপকর্ম নেই যা তিনি করেন না। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক প্রশাসনের কাছে বিচার দাবি করছি।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মারধরের সময় বৃদ্ধের পরনের লুঙ্গি ও গেঞ্জি টেনে ছিঁড়ে ফেলার পাশাপাশি অশ্রাব্য ভাষায় গালাগাল করছেন অভিযুক্ত আনছুর আললম।
বাংলাদেশ আইন ও আদালত
চকরিয়ায় বৃদ্ধকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন, যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা
কক্সবাজারের চকরিয়ায় নূরুল আলম নামে ৭২ বছরের এক বৃদ্ধকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনায় এক যুবলীগ নেতাসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
ঘটনার পর গত ৩১ মে রাতে বৃদ্ধ নুরুল আলমের ছেলে আশরাফ হোসাইন বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় মামলাটি করেছেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চকরিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এ কে এম শফিকুল আলম চৌধুরী জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চলছে।
এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন- যুবলীগ নেতা আনছুর আলম, ঢেমুশিয়া ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য আরেজ খাতুন, ইউনিয়নের ছয়কুড়িটিক্কা পাড়ার মনির উল্লাহর ছেলে বদিউল আলম (৫৫), বদিউলের ছেলে মিজানুর রহমান (২৮), একই এলাকার আব্দুল জব্বারের দুই ছেলে রিয়াজ উদ্দিন (৩২), জয়নাল আবেদীন (৩০), মঞ্জুর আলমের ছেলে মোহাম্মদ রুবেল (২৮) ও মো. শাহ আলম (৫২) নামে এক ব্যক্তি।
মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, গত ২৪ মে আমার বয়োবৃদ্ধ বাবা নুরুল আলম ঈদের বাজার করে ঢেমুশিয়া স্টেশন থেকে টমটম গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে আনছুর আলমের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী টমটম থেকে বাবাকে নামিয়ে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে পরনের লুঙ্গি ও গেঞ্জি ছিঁড়ে ফেলেন। পাশাপাশি মারধর ও অসভ্য ভাষায় গালিগালাজও করেন। কয়েকজন যুবক এসব ঘটনার মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন। এ সময় আমার বাবা বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করতে থাকেন। পরে ঘটনাটি শোনার পর আমার ছোট ভাই সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সালাহউদ্দিন স্থানীয় লোকজনসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাবাকে উদ্ধার করে স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে নিয়ে যান।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনার সময় আমার বাবার ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোনসেট ও পকেটে থাকা নগদ সাড়ে সাত হাজার টাকাও ছিনিয়ে নেয় তারা। তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে আমার বাবার ওপর অমানবিক এ ঘটনাটি ঘটিয়েছেন আনছুর আলম। তিনি স্থানীয় যুবলীগ নেতা হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। তাঁর বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে। এমন কোনো অপকর্ম নেই যা তিনি করেন না। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক প্রশাসনের কাছে বিচার দাবি করছি।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মারধরের সময় বৃদ্ধের পরনের লুঙ্গি ও গেঞ্জি টেনে ছিঁড়ে ফেলার পাশাপাশি অশ্রাব্য ভাষায় গালাগাল করছেন অভিযুক্ত আনছুর আললম।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
কক্সবাজারের চকরিয়ায় নূরুল আলম নামে ৭২ বছরের এক বৃদ্ধকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনায় এক যুবলীগ নেতাসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
ঘটনার পর গত ৩১ মে রাতে বৃদ্ধ নুরুল আলমের ছেলে আশরাফ হোসাইন বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় মামলাটি করেছেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চকরিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এ কে এম শফিকুল আলম চৌধুরী জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চলছে।
এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন- যুবলীগ নেতা আনছুর আলম, ঢেমুশিয়া ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য আরেজ খাতুন, ইউনিয়নের ছয়কুড়িটিক্কা পাড়ার মনির উল্লাহর ছেলে বদিউল আলম (৫৫), বদিউলের ছেলে মিজানুর রহমান (২৮), একই এলাকার আব্দুল জব্বারের দুই ছেলে রিয়াজ উদ্দিন (৩২), জয়নাল আবেদীন (৩০), মঞ্জুর আলমের ছেলে মোহাম্মদ রুবেল (২৮) ও মো. শাহ আলম (৫২) নামে এক ব্যক্তি।
মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, গত ২৪ মে আমার বয়োবৃদ্ধ বাবা নুরুল আলম ঈদের বাজার করে ঢেমুশিয়া স্টেশন থেকে টমটম গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে আনছুর আলমের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী টমটম থেকে বাবাকে নামিয়ে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে পরনের লুঙ্গি ও গেঞ্জি ছিঁড়ে ফেলেন। পাশাপাশি মারধর ও অসভ্য ভাষায় গালিগালাজও করেন। কয়েকজন যুবক এসব ঘটনার মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন। এ সময় আমার বাবা বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করতে থাকেন। পরে ঘটনাটি শোনার পর আমার ছোট ভাই সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সালাহউদ্দিন স্থানীয় লোকজনসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাবাকে উদ্ধার করে স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে নিয়ে যান।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনার সময় আমার বাবার ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোনসেট ও পকেটে থাকা নগদ সাড়ে সাত হাজার টাকাও ছিনিয়ে নেয় তারা। তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে আমার বাবার ওপর অমানবিক এ ঘটনাটি ঘটিয়েছেন আনছুর আলম। তিনি স্থানীয় যুবলীগ নেতা হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। তাঁর বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে। এমন কোনো অপকর্ম নেই যা তিনি করেন না। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক প্রশাসনের কাছে বিচার দাবি করছি।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মারধরের সময় বৃদ্ধের পরনের লুঙ্গি ও গেঞ্জি টেনে ছিঁড়ে ফেলার পাশাপাশি অশ্রাব্য ভাষায় গালাগাল করছেন অভিযুক্ত আনছুর আললম।
আপনার মতামত লিখুন :