অর্থনীতি
করোনায় ৭ পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা
করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে বিজিএমইএর সদস্যভুক্ত সাতটি কারখানা বন্ধ হয়েছে। রপ্তানি বন্ধ ও ক্রয় আদেশ স্থগিত হওয়ায় উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মালিকরা নিজেরাই প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ ঘোষণা করেছেন।
বিজিএমইএর পরিচালক আসিফ ইব্রাহিম মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বিজিএমইএর পরিচালক জানান, মঙ্গলবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৮৮৪ টি পোশাক কারখানার ৬ কোটি ৯৭ লাখ ৪৭ হাজারটি ক্রয় আদেশ স্থগিত করা হয়েছে। যার আর্থিক পরিমাণ ২ দশমকি ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এসব কারখানায় ১৪ লাখের বেশি শ্রমিক কাজ করেন।
আসিফ ইব্রাহিম বলেন, বিজিএমইএর প্রত্যেক সদস্যকে জানানো হয়েছে যে, যদি তারা কারখানা বন্ধ করেন তাহলে শ্রম আইনের সমস্ত বিধিমালা অনুযায়ী কারখানা বন্ধ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের তথ্য অনুযায়ী শ্রম আইনের বিধিমালা অনুসরণ করে সাতটি কারখানা নিজেরাই বন্ধ করেছে।
অর্থনীতি
করোনায় ৭ পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা
করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে বিজিএমইএর সদস্যভুক্ত সাতটি কারখানা বন্ধ হয়েছে। রপ্তানি বন্ধ ও ক্রয় আদেশ স্থগিত হওয়ায় উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মালিকরা নিজেরাই প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ ঘোষণা করেছেন।
বিজিএমইএর পরিচালক আসিফ ইব্রাহিম মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বিজিএমইএর পরিচালক জানান, মঙ্গলবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৮৮৪ টি পোশাক কারখানার ৬ কোটি ৯৭ লাখ ৪৭ হাজারটি ক্রয় আদেশ স্থগিত করা হয়েছে। যার আর্থিক পরিমাণ ২ দশমকি ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এসব কারখানায় ১৪ লাখের বেশি শ্রমিক কাজ করেন।
আসিফ ইব্রাহিম বলেন, বিজিএমইএর প্রত্যেক সদস্যকে জানানো হয়েছে যে, যদি তারা কারখানা বন্ধ করেন তাহলে শ্রম আইনের সমস্ত বিধিমালা অনুযায়ী কারখানা বন্ধ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের তথ্য অনুযায়ী শ্রম আইনের বিধিমালা অনুসরণ করে সাতটি কারখানা নিজেরাই বন্ধ করেছে।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে বিজিএমইএর সদস্যভুক্ত সাতটি কারখানা বন্ধ হয়েছে। রপ্তানি বন্ধ ও ক্রয় আদেশ স্থগিত হওয়ায় উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মালিকরা নিজেরাই প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ ঘোষণা করেছেন।
বিজিএমইএর পরিচালক আসিফ ইব্রাহিম মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বিজিএমইএর পরিচালক জানান, মঙ্গলবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৮৮৪ টি পোশাক কারখানার ৬ কোটি ৯৭ লাখ ৪৭ হাজারটি ক্রয় আদেশ স্থগিত করা হয়েছে। যার আর্থিক পরিমাণ ২ দশমকি ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এসব কারখানায় ১৪ লাখের বেশি শ্রমিক কাজ করেন।
আসিফ ইব্রাহিম বলেন, বিজিএমইএর প্রত্যেক সদস্যকে জানানো হয়েছে যে, যদি তারা কারখানা বন্ধ করেন তাহলে শ্রম আইনের সমস্ত বিধিমালা অনুযায়ী কারখানা বন্ধ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের তথ্য অনুযায়ী শ্রম আইনের বিধিমালা অনুসরণ করে সাতটি কারখানা নিজেরাই বন্ধ করেছে।
আপনার মতামত লিখুন :