লাইফস্টাইল বিবিধ
দ্বিতীয়বার গরম করতে নেই যে খাবারগুলো
প্রতীকী ছবি
দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় মাছ-মাংস-সবজি-সালাদ আরও হরেকরকম পদ থাকেই। অনেকসময় আমরা সেই সকল খাবার ফ্রীজে রেখে সংরক্ষন করি পরবর্তীতে খাওয়ার জন্য। আমরা মনে করে থাকি এইরকম ভাবে খাবার সংরক্ষনের ফলে পরবর্তীতে আমাদের সময় বাঁচে এবং কম খাটনি হয়। কিন্তু আমরা হয়ত জানি না, দৈনন্দিন তালিকার খাবারের মধ্যে অঙ্ক খাবার আছে যা ফ্রীজে সংরক্ষনের পর দ্বিতীয়বার গরম করে খাওয়া স্বাস্থের পক্ষে ক্ষতিকর। চলুন জেনে নেই সেই খাবারগুলো সম্পর্কে এবং এদের ক্ষতিকর দিক নিয়ে।
১. মুরগির মাংস: প্রোটিনের অন্যতম উৎস মুরগির মাংস । দিনে একাধিকবার গরম করার ফলে এটি হজমে সমস্যা সৃষ্টি করে। তাই ফ্রীজে সংরক্ষনের পর এটি সালাদ, স্যান্ডউইচের সঙ্গে খাওয়া উচিত।
২. ডিম: ডিম কমবেশি সকলেই রান্না করে খেতে ভালোবাসে । পুষ্টিগুণ সম্পন্ন এই খাবার বারবার গরমের ফলে এর খাদ্য উপাদান বিষাক্ত হয়ে যায় এবং হজমে সমস্যা সৃষ্টি করে।
৩. পালং শাক: পালং শাক হচ্ছে আয়রন ও নাইট্রেটে পূর্ণ স্বাস্থ্যকর খাবার। দ্বিতীয়বার গরম করলে পালংয়ের নাইট্রেট ক্ষতিকর নাইট্রাইটে পরিণত হয়। ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হতে পারে নাইট্রেট।
৪. মাশরুম: মাশরুম, প্রোটিনের জটিল মিশ্রনে তৈরি খাদ্য যা বারবার গরমের ফলে প্রোটিনের গঠন নষ্ট হয়ে যায়।
৫. আলু: নানান্রকমের পুষ্টি উপাদানে ভরপুর আলু। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় বেশিক্ষন রাখলে এর পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়।
৬. ভাত: বাঙ্গালির প্রধান খাবার ভাত । অনেকেই ভাত একবার খাওয়ার পর ফ্রীজে তুলে রাখেন এবং পরে ফ্রীজ থেকে বের করে গরম করে খান। কিন্তু এতে করে ভাতে থাকা ব্যাকটেরিয়া আর বেশি ক্ষতিকর হয়ে উঠে ।
অনেকেই আছেন যারা খাবার নষ্ট হয়ে যাওয়া বা পচে যাওয়ার ভয়ে খাবার কয়েকবার গরম করে বা ফ্রীজে রাখেন। সেক্ষেত্রে যে সকল খাবার একাধিকবার গরম করা যায় না , সেসব খাবার ঠাণ্ডা স্থানে রাখতে পারেন যেখানে বাতাসের চলাচল ভালো । নতুবা আপনাকেই স্বাস্থ্য নিয়ে হুমকির মুখে পড়তে হতে পারে।
লাইফস্টাইল বিবিধ
দ্বিতীয়বার গরম করতে নেই যে খাবারগুলো
প্রতীকী ছবি
দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় মাছ-মাংস-সবজি-সালাদ আরও হরেকরকম পদ থাকেই। অনেকসময় আমরা সেই সকল খাবার ফ্রীজে রেখে সংরক্ষন করি পরবর্তীতে খাওয়ার জন্য। আমরা মনে করে থাকি এইরকম ভাবে খাবার সংরক্ষনের ফলে পরবর্তীতে আমাদের সময় বাঁচে এবং কম খাটনি হয়। কিন্তু আমরা হয়ত জানি না, দৈনন্দিন তালিকার খাবারের মধ্যে অঙ্ক খাবার আছে যা ফ্রীজে সংরক্ষনের পর দ্বিতীয়বার গরম করে খাওয়া স্বাস্থের পক্ষে ক্ষতিকর। চলুন জেনে নেই সেই খাবারগুলো সম্পর্কে এবং এদের ক্ষতিকর দিক নিয়ে।
১. মুরগির মাংস: প্রোটিনের অন্যতম উৎস মুরগির মাংস । দিনে একাধিকবার গরম করার ফলে এটি হজমে সমস্যা সৃষ্টি করে। তাই ফ্রীজে সংরক্ষনের পর এটি সালাদ, স্যান্ডউইচের সঙ্গে খাওয়া উচিত।
২. ডিম: ডিম কমবেশি সকলেই রান্না করে খেতে ভালোবাসে । পুষ্টিগুণ সম্পন্ন এই খাবার বারবার গরমের ফলে এর খাদ্য উপাদান বিষাক্ত হয়ে যায় এবং হজমে সমস্যা সৃষ্টি করে।
৩. পালং শাক: পালং শাক হচ্ছে আয়রন ও নাইট্রেটে পূর্ণ স্বাস্থ্যকর খাবার। দ্বিতীয়বার গরম করলে পালংয়ের নাইট্রেট ক্ষতিকর নাইট্রাইটে পরিণত হয়। ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হতে পারে নাইট্রেট।
৪. মাশরুম: মাশরুম, প্রোটিনের জটিল মিশ্রনে তৈরি খাদ্য যা বারবার গরমের ফলে প্রোটিনের গঠন নষ্ট হয়ে যায়।
৫. আলু: নানান্রকমের পুষ্টি উপাদানে ভরপুর আলু। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় বেশিক্ষন রাখলে এর পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়।
৬. ভাত: বাঙ্গালির প্রধান খাবার ভাত । অনেকেই ভাত একবার খাওয়ার পর ফ্রীজে তুলে রাখেন এবং পরে ফ্রীজ থেকে বের করে গরম করে খান। কিন্তু এতে করে ভাতে থাকা ব্যাকটেরিয়া আর বেশি ক্ষতিকর হয়ে উঠে ।
অনেকেই আছেন যারা খাবার নষ্ট হয়ে যাওয়া বা পচে যাওয়ার ভয়ে খাবার কয়েকবার গরম করে বা ফ্রীজে রাখেন। সেক্ষেত্রে যে সকল খাবার একাধিকবার গরম করা যায় না , সেসব খাবার ঠাণ্ডা স্থানে রাখতে পারেন যেখানে বাতাসের চলাচল ভালো । নতুবা আপনাকেই স্বাস্থ্য নিয়ে হুমকির মুখে পড়তে হতে পারে।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
প্রতীকী ছবি
দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় মাছ-মাংস-সবজি-সালাদ আরও হরেকরকম পদ থাকেই। অনেকসময় আমরা সেই সকল খাবার ফ্রীজে রেখে সংরক্ষন করি পরবর্তীতে খাওয়ার জন্য। আমরা মনে করে থাকি এইরকম ভাবে খাবার সংরক্ষনের ফলে পরবর্তীতে আমাদের সময় বাঁচে এবং কম খাটনি হয়। কিন্তু আমরা হয়ত জানি না, দৈনন্দিন তালিকার খাবারের মধ্যে অঙ্ক খাবার আছে যা ফ্রীজে সংরক্ষনের পর দ্বিতীয়বার গরম করে খাওয়া স্বাস্থের পক্ষে ক্ষতিকর। চলুন জেনে নেই সেই খাবারগুলো সম্পর্কে এবং এদের ক্ষতিকর দিক নিয়ে।
১. মুরগির মাংস: প্রোটিনের অন্যতম উৎস মুরগির মাংস । দিনে একাধিকবার গরম করার ফলে এটি হজমে সমস্যা সৃষ্টি করে। তাই ফ্রীজে সংরক্ষনের পর এটি সালাদ, স্যান্ডউইচের সঙ্গে খাওয়া উচিত।
২. ডিম: ডিম কমবেশি সকলেই রান্না করে খেতে ভালোবাসে । পুষ্টিগুণ সম্পন্ন এই খাবার বারবার গরমের ফলে এর খাদ্য উপাদান বিষাক্ত হয়ে যায় এবং হজমে সমস্যা সৃষ্টি করে।
৩. পালং শাক: পালং শাক হচ্ছে আয়রন ও নাইট্রেটে পূর্ণ স্বাস্থ্যকর খাবার। দ্বিতীয়বার গরম করলে পালংয়ের নাইট্রেট ক্ষতিকর নাইট্রাইটে পরিণত হয়। ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হতে পারে নাইট্রেট।
৪. মাশরুম: মাশরুম, প্রোটিনের জটিল মিশ্রনে তৈরি খাদ্য যা বারবার গরমের ফলে প্রোটিনের গঠন নষ্ট হয়ে যায়।
৫. আলু: নানান্রকমের পুষ্টি উপাদানে ভরপুর আলু। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় বেশিক্ষন রাখলে এর পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়।
৬. ভাত: বাঙ্গালির প্রধান খাবার ভাত । অনেকেই ভাত একবার খাওয়ার পর ফ্রীজে তুলে রাখেন এবং পরে ফ্রীজ থেকে বের করে গরম করে খান। কিন্তু এতে করে ভাতে থাকা ব্যাকটেরিয়া আর বেশি ক্ষতিকর হয়ে উঠে ।
অনেকেই আছেন যারা খাবার নষ্ট হয়ে যাওয়া বা পচে যাওয়ার ভয়ে খাবার কয়েকবার গরম করে বা ফ্রীজে রাখেন। সেক্ষেত্রে যে সকল খাবার একাধিকবার গরম করা যায় না , সেসব খাবার ঠাণ্ডা স্থানে রাখতে পারেন যেখানে বাতাসের চলাচল ভালো । নতুবা আপনাকেই স্বাস্থ্য নিয়ে হুমকির মুখে পড়তে হতে পারে।
আপনার মতামত লিখুন :