লাইফস্টাইল পরামর্শ
ঘুমের ভেতর মৃত্যুর ৫ কারণ
যার জন্ম আছে তাকে যে একদিন না একদিন মরতেই হবে তা নিয়ে বিকর্তের কোনও অবকাশ নেই।
কিন্তু কিছু কিছু মৃত্যু আছে যেগুলো মানুষকে চমকে দেয়। মানুষ আতকে উঠে। আফসোস করে চলে যাওয়া মানুষটির জন্য। এর মধ্যে আছে ঘুমের ভেতর মৃত্যু। অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে "ঘুমের ভেতর মানুষের মৃত্যু কেন হয়"? মূলত পাঁচটি কারণে ঘুমের মধ্যে মৃত্যু হয়।
চলুন জেনে নেয়া যাক সেই পাঁচটি কারন -
মাত্রারিক্ত ওজন:
যারা খুব মোটা কিংবা যাদের মেদ ভুরি খুব বেশি তাদের ঘুমের মধ্যে মৃত্যুর সম্ভাবনা বেশি থাকে।
স্বপ্ন:
অনেক সময় ঘুমের ভেতর মানুষ ভয়ানক কিছু স্বপ্ন দেখে। কিন্তু যদি তখন ঘুম ভেঙে যায় তবে ভালো। তা না হলে ভুলভাল স্বপ্নে ভয়ে মৃত্যু ঝুঁকি বাড়তে পারে।
হৃদযন্ত্রজনিত সমস্যা:
ঘুমন্ত অবস্থায় মানবদেহের রক্ত সঞ্চালন বেড়ে যায়। এ সময় হৃদযন্ত্রজনিত নানা সমস্যা দেখা যায়। ঘুমের মধ্যে কিছু বুঝে ওঠার আগেই স্ট্রোক করে অনেকেই মারা যান। আবার ঘুমের মধ্যে অনেকেই হৃদযন্ত্র সঠিকভাবে কাজ না করায় দম আটকে মারা যান।
নাক ডাকা:
অনেকেই আছেন ঘুম আসতে না আসতেই গড়গড় করে নাক ডাকা শুরু করেন। যারা ঘুমের মধ্যে নাক ডাকেন তাদেরও থাকে মৃত্যুঝুঁকি। যাকে বলে স্লিপ অ্যাপনিয়া। এ সমস্যার কারণে ঘুমের ভেতর অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ে। এছাড়া স্লিপ ডিসঅর্ডারের মতো সমস্যাও ঘুমের মধ্যে মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ায়।
কার্বন মনোক্সাইড:
রাতের বেলায় ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করে ঘুমালে বদ্ধ ঘরে সহজেই কার্বন মনোক্সাইড তৈরি হয়। যা ঘুমের ভেতর দম বন্ধ হয়ে মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
লাইফস্টাইল পরামর্শ
ঘুমের ভেতর মৃত্যুর ৫ কারণ
যার জন্ম আছে তাকে যে একদিন না একদিন মরতেই হবে তা নিয়ে বিকর্তের কোনও অবকাশ নেই।
কিন্তু কিছু কিছু মৃত্যু আছে যেগুলো মানুষকে চমকে দেয়। মানুষ আতকে উঠে। আফসোস করে চলে যাওয়া মানুষটির জন্য। এর মধ্যে আছে ঘুমের ভেতর মৃত্যু। অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে "ঘুমের ভেতর মানুষের মৃত্যু কেন হয়"? মূলত পাঁচটি কারণে ঘুমের মধ্যে মৃত্যু হয়।
চলুন জেনে নেয়া যাক সেই পাঁচটি কারন -
মাত্রারিক্ত ওজন:
যারা খুব মোটা কিংবা যাদের মেদ ভুরি খুব বেশি তাদের ঘুমের মধ্যে মৃত্যুর সম্ভাবনা বেশি থাকে।
স্বপ্ন:
অনেক সময় ঘুমের ভেতর মানুষ ভয়ানক কিছু স্বপ্ন দেখে। কিন্তু যদি তখন ঘুম ভেঙে যায় তবে ভালো। তা না হলে ভুলভাল স্বপ্নে ভয়ে মৃত্যু ঝুঁকি বাড়তে পারে।
হৃদযন্ত্রজনিত সমস্যা:
ঘুমন্ত অবস্থায় মানবদেহের রক্ত সঞ্চালন বেড়ে যায়। এ সময় হৃদযন্ত্রজনিত নানা সমস্যা দেখা যায়। ঘুমের মধ্যে কিছু বুঝে ওঠার আগেই স্ট্রোক করে অনেকেই মারা যান। আবার ঘুমের মধ্যে অনেকেই হৃদযন্ত্র সঠিকভাবে কাজ না করায় দম আটকে মারা যান।
নাক ডাকা:
অনেকেই আছেন ঘুম আসতে না আসতেই গড়গড় করে নাক ডাকা শুরু করেন। যারা ঘুমের মধ্যে নাক ডাকেন তাদেরও থাকে মৃত্যুঝুঁকি। যাকে বলে স্লিপ অ্যাপনিয়া। এ সমস্যার কারণে ঘুমের ভেতর অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ে। এছাড়া স্লিপ ডিসঅর্ডারের মতো সমস্যাও ঘুমের মধ্যে মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ায়।
কার্বন মনোক্সাইড:
রাতের বেলায় ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করে ঘুমালে বদ্ধ ঘরে সহজেই কার্বন মনোক্সাইড তৈরি হয়। যা ঘুমের ভেতর দম বন্ধ হয়ে মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
যার জন্ম আছে তাকে যে একদিন না একদিন মরতেই হবে তা নিয়ে বিকর্তের কোনও অবকাশ নেই।
কিন্তু কিছু কিছু মৃত্যু আছে যেগুলো মানুষকে চমকে দেয়। মানুষ আতকে উঠে। আফসোস করে চলে যাওয়া মানুষটির জন্য। এর মধ্যে আছে ঘুমের ভেতর মৃত্যু। অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে "ঘুমের ভেতর মানুষের মৃত্যু কেন হয়"? মূলত পাঁচটি কারণে ঘুমের মধ্যে মৃত্যু হয়।
চলুন জেনে নেয়া যাক সেই পাঁচটি কারন -
মাত্রারিক্ত ওজন:
যারা খুব মোটা কিংবা যাদের মেদ ভুরি খুব বেশি তাদের ঘুমের মধ্যে মৃত্যুর সম্ভাবনা বেশি থাকে।
স্বপ্ন:
অনেক সময় ঘুমের ভেতর মানুষ ভয়ানক কিছু স্বপ্ন দেখে। কিন্তু যদি তখন ঘুম ভেঙে যায় তবে ভালো। তা না হলে ভুলভাল স্বপ্নে ভয়ে মৃত্যু ঝুঁকি বাড়তে পারে।
হৃদযন্ত্রজনিত সমস্যা:
ঘুমন্ত অবস্থায় মানবদেহের রক্ত সঞ্চালন বেড়ে যায়। এ সময় হৃদযন্ত্রজনিত নানা সমস্যা দেখা যায়। ঘুমের মধ্যে কিছু বুঝে ওঠার আগেই স্ট্রোক করে অনেকেই মারা যান। আবার ঘুমের মধ্যে অনেকেই হৃদযন্ত্র সঠিকভাবে কাজ না করায় দম আটকে মারা যান।
নাক ডাকা:
অনেকেই আছেন ঘুম আসতে না আসতেই গড়গড় করে নাক ডাকা শুরু করেন। যারা ঘুমের মধ্যে নাক ডাকেন তাদেরও থাকে মৃত্যুঝুঁকি। যাকে বলে স্লিপ অ্যাপনিয়া। এ সমস্যার কারণে ঘুমের ভেতর অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ে। এছাড়া স্লিপ ডিসঅর্ডারের মতো সমস্যাও ঘুমের মধ্যে মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ায়।
কার্বন মনোক্সাইড:
রাতের বেলায় ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করে ঘুমালে বদ্ধ ঘরে সহজেই কার্বন মনোক্সাইড তৈরি হয়। যা ঘুমের ভেতর দম বন্ধ হয়ে মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
আপনার মতামত লিখুন :