বাংলাদেশ জেলা
যশোরে ১০ টাকা কেজির বিপুল পরিমাণ সরকারি চাল উদ্ধার
যশোরের চৌগাছায় সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১০ টাকা কেজির বিপুল পরিমাণ সরকারি চাল উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার চৌগাছা শহরের বাইপাস সড়কে ৫৮ বস্তা (প্রতি বস্তা ৩০ কেজি) জব্দ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম।
এ ঘটনায় চৌগাছার সহকারি কমিশনার (ভূমি) নারায়ণ চন্দ্র পালকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৫ দিনের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালের কার্ডধারী ব্যক্তিরা ১০ টাকা কেজি দরে চাল কিনে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করে দেন। এসব চাল স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী ক্রয় করে বাজারজাত করেন।
তাদের অভিযোগ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পক্ষপাতিত্বের কারণে অপেক্ষাকৃত বিত্তশালীরা এসব কার্ড পেয়ে থাকেন। এজন্য তারা ১০ টাকা কেজির চাল উত্তোলন করে খোলা বাজারে বেশি দামে বিক্রি করে দেন।
কাবিলপুর গ্রামের চাল ব্যবসায়ী জহুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, কয়েকদিন আগে কাবিলপুর বাজারে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণ করা হয়। সেই সময় কার্ডধারীরা সেখান থেকে ১০ টাকা কেজি দরে কিনে আমার কাছে বিক্রি করেছে। যা শনিবার যশোরে বিক্রির জন্য পাঠাচ্ছিলাম।
বাংলাদেশ জেলা
যশোরে ১০ টাকা কেজির বিপুল পরিমাণ সরকারি চাল উদ্ধার
যশোরের চৌগাছায় সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১০ টাকা কেজির বিপুল পরিমাণ সরকারি চাল উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার চৌগাছা শহরের বাইপাস সড়কে ৫৮ বস্তা (প্রতি বস্তা ৩০ কেজি) জব্দ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম।
এ ঘটনায় চৌগাছার সহকারি কমিশনার (ভূমি) নারায়ণ চন্দ্র পালকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৫ দিনের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালের কার্ডধারী ব্যক্তিরা ১০ টাকা কেজি দরে চাল কিনে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করে দেন। এসব চাল স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী ক্রয় করে বাজারজাত করেন।
তাদের অভিযোগ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পক্ষপাতিত্বের কারণে অপেক্ষাকৃত বিত্তশালীরা এসব কার্ড পেয়ে থাকেন। এজন্য তারা ১০ টাকা কেজির চাল উত্তোলন করে খোলা বাজারে বেশি দামে বিক্রি করে দেন।
কাবিলপুর গ্রামের চাল ব্যবসায়ী জহুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, কয়েকদিন আগে কাবিলপুর বাজারে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণ করা হয়। সেই সময় কার্ডধারীরা সেখান থেকে ১০ টাকা কেজি দরে কিনে আমার কাছে বিক্রি করেছে। যা শনিবার যশোরে বিক্রির জন্য পাঠাচ্ছিলাম।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
যশোরের চৌগাছায় সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১০ টাকা কেজির বিপুল পরিমাণ সরকারি চাল উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার চৌগাছা শহরের বাইপাস সড়কে ৫৮ বস্তা (প্রতি বস্তা ৩০ কেজি) জব্দ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম।
এ ঘটনায় চৌগাছার সহকারি কমিশনার (ভূমি) নারায়ণ চন্দ্র পালকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৫ দিনের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালের কার্ডধারী ব্যক্তিরা ১০ টাকা কেজি দরে চাল কিনে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করে দেন। এসব চাল স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী ক্রয় করে বাজারজাত করেন।
তাদের অভিযোগ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পক্ষপাতিত্বের কারণে অপেক্ষাকৃত বিত্তশালীরা এসব কার্ড পেয়ে থাকেন। এজন্য তারা ১০ টাকা কেজির চাল উত্তোলন করে খোলা বাজারে বেশি দামে বিক্রি করে দেন।
কাবিলপুর গ্রামের চাল ব্যবসায়ী জহুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, কয়েকদিন আগে কাবিলপুর বাজারে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণ করা হয়। সেই সময় কার্ডধারীরা সেখান থেকে ১০ টাকা কেজি দরে কিনে আমার কাছে বিক্রি করেছে। যা শনিবার যশোরে বিক্রির জন্য পাঠাচ্ছিলাম।
আপনার মতামত লিখুন :