লাইফস্টাইল রূপচর্চা

ব্রন নিয়ে চিন্তা? আর না !!! 


নাফিসা রাহমান
বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯ ইং ১৭:০৮
NewsRoom


মুখে ব্রণ হওয়াটা খুবই সাধারণ একটা সমস্যা।  বয়ঃসন্ধির সময় তো বটেই নানা বয়সেই এই সমস্যা হতে পারে। লোমকূপের তলায় তৈলনিঃসরণ গ্রন্থি এবং মৃত কোষের জুগলবন্দিতে এই সমস্যা হয়। ব্রণ বেরলে অনেকেই দৌড়ান চিকিৎসকের কাছে। আবার অনেকেই দামি ক্রিম বা ওষুধ ব্যবহার করতে শুরু করেন। কিন্তু বাড়িতে হাতের কাছেই রয়েছে এমন অনেক উপাদান, যা দিয়ে অতি সহজে সমাধান করা যায় এই সমস্যার।
চলুন আজ জেনে নেয়া যাক ব্রন দূর করার সেইসব ঘরোয়া  উপাদান ও তাদের কার্যকারিতা সম্পর্কে- 

টুথপেস্ট- ফেসপ্যাকের মতো করে ব্যবহার করতে পারেন টুথপেস্ট। মুখের অতিরিক্ত তেল টেনে নেওয়ার ক্ষমতা আছে এই পেস্টের। ফলে তৈলাক্ত ত্বকের কারণে যাদের মুখে ব্রণ বা গোটা বেরয়, তারা টুথপেস্ট ব্যবহার করে উপকার পেতে পারেন। তবে বেশি নয়, খুব অল্প পরিমাণে ব্যবহার করুন ব্রণের জায়গায়। সমস্যা না হলে পরিমাণ বাড়াতে পারেন।

শসা- কেবল খাদ্যগুণই নয়, শসার নানা গুণ রয়েছে। তার মধ্যে একটা অবশ্যই ত্বকের কাজে লাগা। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, ডি এবং ই। এর প্রতিটিই ত্বকের জন্য মারাত্মক ভালো। শসা থেঁতো করে মুখে লাগিয়ে রাখতে পারেন। ২০ মিনিট লাগিয়ে রাখার পর ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন মুখ। এছাড়াও শসাকে অন্যভাবে ব্যবহার করতে পারেন। শসা গোল গোল করে কেটে অন্তত একঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর সেই পানি খেয়েও নিতে পারেন, বা ওই পানি দিয়ে মুখও ধুয়ে নিতে পারেন।

অ্যাসপিরিন- খাওয়ার ওষুধ হিসেবেই নয়, ব্রণ বা গোটা সারাতেও এই ওষুধের জুড়ি নেই। এতে থাকা স্যালিসাইলিক অ্যাসিড ব্রণ তাড়াতাড়ি শুকিয়ে দেয়। চার-পাঁচটা ট্যাবলেট প্রথমে গুঁড়িয়ে নিন। তারপর সেগুলো অল্প পানির সঙ্গে মেশান। এমনভাবে মেশাবেন, যাতে একটা পেস্ট তৈরি হয়। রাতে শুতে যাওয়ার আগে পেস্ট আক্রান্ত জায়গায় লাগান। সকালে উঠে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক খুব স্পর্শকাতর হলে, কয়েক মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে নিতে পারেন।

গ্রিন টি- গ্রিন টি গোটা বা ব্রণের বিরুদ্ধে খুবই কার্যকরী। গরম পানি গ্রিন টি বানান। তারপর সেই গ্রিন টি একদম ঠাণ্ডা করে ব্রণ বা গোটার জায়গায় ব্যবহার করুন। তুলায় ভিজিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে ভালো করে ত্বকের ওপর মিশতে পারবে চায়ের মিশ্রণটি। যদি টি ব্য়াগ থেকে গ্রিন টি বানান, তাহলে ঠাণ্ডা গ্রিন টি ব্যাগটিও রাখতে পারেন ত্বকের ওপর। মিনিট ২০ রাখার পর ধুয়ে নিন।

লেবুর রস- তুলায় করে লেবুর রস ব্রণের জায়গায় লাগিয়ে নিতে পারেন। লেবুর রসের সঙ্গে দারুচিনির মিশ্রণ তৈরি করে, রাতে শুতে যাওয়ার আগে সেটা ব্রণের ওপর লাগিয়ে রাখতে পারেন। সকালে হালকা উষ্ণ পানিতে ধুয়ে নেবেন।

রসুন- রসুন ব্রণের বড় শত্রু। এটি ব্যবহার করাও খুব সহজ। এক-দুই কোয়া রসুন দুই টুকরা করে কেটে নিন। তারপর ব্রণের জায়গায় রসটা লাগান। মিনট পাঁচেক পরে ধুয়ে ফেলুন। রাতে শুতে যাওয়ার আগে এটা করলে পরদিন সকালে ত্বকের উন্নতি টের পাবেন।

বর্তমানে আমরা এমন এক অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছি যে, ত্বকের যেকোনো কিছু সমস্যা হলেই আমরা ধরে নেই দামী ক্রিম - ঔষধ একমাত্র সমাধানকারী। কিন্তু আমরা একবারও ভাবি না যে , এসব দামী ক্রিম বা ঔষধ যা আমরা ত্বকের সুরক্ষার কথা ভেবে ব্যবহার করি, অনেকসময় সেসবের রিয়েকশনের জন্যও ত্বকের ব্রনের মত সমস্যা ছাড়াও আরও নানান রকমের সমস্যা তৈরি হয় । আর যেহেতু চারদিকে ভেজালের ছড়াছড়ি , আসল পন্য চেনাটাই দুষ্কর । একটু চোখকান খোলা রাখলেই আমরা কিন্তু আমাদের সব সমস্যার সমাধান হাতের কাছেই , বলতে গেলে নিজেদের ঘরেই পেয়ে যেতে পারি । তাই দামী পন্যের উপর ভরসা না করে প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক উপাদানে ভরসা রাখতে চেষ্টা করুন । উপকার খুব বেশি না পেলেও অন্তত কোন ক্ষতির মুখে পরতে হবে না ।


 

আপনার মতামত লিখুন :

ডেটায় দেশ

লাইফস্টাইল রূপচর্চা

ব্রন নিয়ে চিন্তা? আর না !!! 


নাফিসা রাহমান
বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯ ইং ১৭:০৮
NewsRoom


মুখে ব্রণ হওয়াটা খুবই সাধারণ একটা সমস্যা।  বয়ঃসন্ধির সময় তো বটেই নানা বয়সেই এই সমস্যা হতে পারে। লোমকূপের তলায় তৈলনিঃসরণ গ্রন্থি এবং মৃত কোষের জুগলবন্দিতে এই সমস্যা হয়। ব্রণ বেরলে অনেকেই দৌড়ান চিকিৎসকের কাছে। আবার অনেকেই দামি ক্রিম বা ওষুধ ব্যবহার করতে শুরু করেন। কিন্তু বাড়িতে হাতের কাছেই রয়েছে এমন অনেক উপাদান, যা দিয়ে অতি সহজে সমাধান করা যায় এই সমস্যার।
চলুন আজ জেনে নেয়া যাক ব্রন দূর করার সেইসব ঘরোয়া  উপাদান ও তাদের কার্যকারিতা সম্পর্কে- 

টুথপেস্ট- ফেসপ্যাকের মতো করে ব্যবহার করতে পারেন টুথপেস্ট। মুখের অতিরিক্ত তেল টেনে নেওয়ার ক্ষমতা আছে এই পেস্টের। ফলে তৈলাক্ত ত্বকের কারণে যাদের মুখে ব্রণ বা গোটা বেরয়, তারা টুথপেস্ট ব্যবহার করে উপকার পেতে পারেন। তবে বেশি নয়, খুব অল্প পরিমাণে ব্যবহার করুন ব্রণের জায়গায়। সমস্যা না হলে পরিমাণ বাড়াতে পারেন।

শসা- কেবল খাদ্যগুণই নয়, শসার নানা গুণ রয়েছে। তার মধ্যে একটা অবশ্যই ত্বকের কাজে লাগা। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, ডি এবং ই। এর প্রতিটিই ত্বকের জন্য মারাত্মক ভালো। শসা থেঁতো করে মুখে লাগিয়ে রাখতে পারেন। ২০ মিনিট লাগিয়ে রাখার পর ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন মুখ। এছাড়াও শসাকে অন্যভাবে ব্যবহার করতে পারেন। শসা গোল গোল করে কেটে অন্তত একঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর সেই পানি খেয়েও নিতে পারেন, বা ওই পানি দিয়ে মুখও ধুয়ে নিতে পারেন।

অ্যাসপিরিন- খাওয়ার ওষুধ হিসেবেই নয়, ব্রণ বা গোটা সারাতেও এই ওষুধের জুড়ি নেই। এতে থাকা স্যালিসাইলিক অ্যাসিড ব্রণ তাড়াতাড়ি শুকিয়ে দেয়। চার-পাঁচটা ট্যাবলেট প্রথমে গুঁড়িয়ে নিন। তারপর সেগুলো অল্প পানির সঙ্গে মেশান। এমনভাবে মেশাবেন, যাতে একটা পেস্ট তৈরি হয়। রাতে শুতে যাওয়ার আগে পেস্ট আক্রান্ত জায়গায় লাগান। সকালে উঠে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক খুব স্পর্শকাতর হলে, কয়েক মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে নিতে পারেন।

গ্রিন টি- গ্রিন টি গোটা বা ব্রণের বিরুদ্ধে খুবই কার্যকরী। গরম পানি গ্রিন টি বানান। তারপর সেই গ্রিন টি একদম ঠাণ্ডা করে ব্রণ বা গোটার জায়গায় ব্যবহার করুন। তুলায় ভিজিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে ভালো করে ত্বকের ওপর মিশতে পারবে চায়ের মিশ্রণটি। যদি টি ব্য়াগ থেকে গ্রিন টি বানান, তাহলে ঠাণ্ডা গ্রিন টি ব্যাগটিও রাখতে পারেন ত্বকের ওপর। মিনিট ২০ রাখার পর ধুয়ে নিন।

লেবুর রস- তুলায় করে লেবুর রস ব্রণের জায়গায় লাগিয়ে নিতে পারেন। লেবুর রসের সঙ্গে দারুচিনির মিশ্রণ তৈরি করে, রাতে শুতে যাওয়ার আগে সেটা ব্রণের ওপর লাগিয়ে রাখতে পারেন। সকালে হালকা উষ্ণ পানিতে ধুয়ে নেবেন।

রসুন- রসুন ব্রণের বড় শত্রু। এটি ব্যবহার করাও খুব সহজ। এক-দুই কোয়া রসুন দুই টুকরা করে কেটে নিন। তারপর ব্রণের জায়গায় রসটা লাগান। মিনট পাঁচেক পরে ধুয়ে ফেলুন। রাতে শুতে যাওয়ার আগে এটা করলে পরদিন সকালে ত্বকের উন্নতি টের পাবেন।

বর্তমানে আমরা এমন এক অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছি যে, ত্বকের যেকোনো কিছু সমস্যা হলেই আমরা ধরে নেই দামী ক্রিম - ঔষধ একমাত্র সমাধানকারী। কিন্তু আমরা একবারও ভাবি না যে , এসব দামী ক্রিম বা ঔষধ যা আমরা ত্বকের সুরক্ষার কথা ভেবে ব্যবহার করি, অনেকসময় সেসবের রিয়েকশনের জন্যও ত্বকের ব্রনের মত সমস্যা ছাড়াও আরও নানান রকমের সমস্যা তৈরি হয় । আর যেহেতু চারদিকে ভেজালের ছড়াছড়ি , আসল পন্য চেনাটাই দুষ্কর । একটু চোখকান খোলা রাখলেই আমরা কিন্তু আমাদের সব সমস্যার সমাধান হাতের কাছেই , বলতে গেলে নিজেদের ঘরেই পেয়ে যেতে পারি । তাই দামী পন্যের উপর ভরসা না করে প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক উপাদানে ভরসা রাখতে চেষ্টা করুন । উপকার খুব বেশি না পেলেও অন্তত কোন ক্ষতির মুখে পরতে হবে না ।


 

আপনার মতামত লিখুন :


ব্রন নিয়ে চিন্তা? আর না !!! 

নাফিসা রাহমান বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯ ইং ১৭:০৮ NewsRoom


মুখে ব্রণ হওয়াটা খুবই সাধারণ একটা সমস্যা।  বয়ঃসন্ধির সময় তো বটেই নানা বয়সেই এই সমস্যা হতে পারে। লোমকূপের তলায় তৈলনিঃসরণ গ্রন্থি এবং মৃত কোষের জুগলবন্দিতে এই সমস্যা হয়। ব্রণ বেরলে অনেকেই দৌড়ান চিকিৎসকের কাছে। আবার অনেকেই দামি ক্রিম বা ওষুধ ব্যবহার করতে শুরু করেন। কিন্তু বাড়িতে হাতের কাছেই রয়েছে এমন অনেক উপাদান, যা দিয়ে অতি সহজে সমাধান করা যায় এই সমস্যার।
চলুন আজ জেনে নেয়া যাক ব্রন দূর করার সেইসব ঘরোয়া  উপাদান ও তাদের কার্যকারিতা সম্পর্কে- 

টুথপেস্ট- ফেসপ্যাকের মতো করে ব্যবহার করতে পারেন টুথপেস্ট। মুখের অতিরিক্ত তেল টেনে নেওয়ার ক্ষমতা আছে এই পেস্টের। ফলে তৈলাক্ত ত্বকের কারণে যাদের মুখে ব্রণ বা গোটা বেরয়, তারা টুথপেস্ট ব্যবহার করে উপকার পেতে পারেন। তবে বেশি নয়, খুব অল্প পরিমাণে ব্যবহার করুন ব্রণের জায়গায়। সমস্যা না হলে পরিমাণ বাড়াতে পারেন।

শসা- কেবল খাদ্যগুণই নয়, শসার নানা গুণ রয়েছে। তার মধ্যে একটা অবশ্যই ত্বকের কাজে লাগা। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, ডি এবং ই। এর প্রতিটিই ত্বকের জন্য মারাত্মক ভালো। শসা থেঁতো করে মুখে লাগিয়ে রাখতে পারেন। ২০ মিনিট লাগিয়ে রাখার পর ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন মুখ। এছাড়াও শসাকে অন্যভাবে ব্যবহার করতে পারেন। শসা গোল গোল করে কেটে অন্তত একঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর সেই পানি খেয়েও নিতে পারেন, বা ওই পানি দিয়ে মুখও ধুয়ে নিতে পারেন।

অ্যাসপিরিন- খাওয়ার ওষুধ হিসেবেই নয়, ব্রণ বা গোটা সারাতেও এই ওষুধের জুড়ি নেই। এতে থাকা স্যালিসাইলিক অ্যাসিড ব্রণ তাড়াতাড়ি শুকিয়ে দেয়। চার-পাঁচটা ট্যাবলেট প্রথমে গুঁড়িয়ে নিন। তারপর সেগুলো অল্প পানির সঙ্গে মেশান। এমনভাবে মেশাবেন, যাতে একটা পেস্ট তৈরি হয়। রাতে শুতে যাওয়ার আগে পেস্ট আক্রান্ত জায়গায় লাগান। সকালে উঠে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক খুব স্পর্শকাতর হলে, কয়েক মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে নিতে পারেন।

গ্রিন টি- গ্রিন টি গোটা বা ব্রণের বিরুদ্ধে খুবই কার্যকরী। গরম পানি গ্রিন টি বানান। তারপর সেই গ্রিন টি একদম ঠাণ্ডা করে ব্রণ বা গোটার জায়গায় ব্যবহার করুন। তুলায় ভিজিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে ভালো করে ত্বকের ওপর মিশতে পারবে চায়ের মিশ্রণটি। যদি টি ব্য়াগ থেকে গ্রিন টি বানান, তাহলে ঠাণ্ডা গ্রিন টি ব্যাগটিও রাখতে পারেন ত্বকের ওপর। মিনিট ২০ রাখার পর ধুয়ে নিন।

লেবুর রস- তুলায় করে লেবুর রস ব্রণের জায়গায় লাগিয়ে নিতে পারেন। লেবুর রসের সঙ্গে দারুচিনির মিশ্রণ তৈরি করে, রাতে শুতে যাওয়ার আগে সেটা ব্রণের ওপর লাগিয়ে রাখতে পারেন। সকালে হালকা উষ্ণ পানিতে ধুয়ে নেবেন।

রসুন- রসুন ব্রণের বড় শত্রু। এটি ব্যবহার করাও খুব সহজ। এক-দুই কোয়া রসুন দুই টুকরা করে কেটে নিন। তারপর ব্রণের জায়গায় রসটা লাগান। মিনট পাঁচেক পরে ধুয়ে ফেলুন। রাতে শুতে যাওয়ার আগে এটা করলে পরদিন সকালে ত্বকের উন্নতি টের পাবেন।

বর্তমানে আমরা এমন এক অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছি যে, ত্বকের যেকোনো কিছু সমস্যা হলেই আমরা ধরে নেই দামী ক্রিম - ঔষধ একমাত্র সমাধানকারী। কিন্তু আমরা একবারও ভাবি না যে , এসব দামী ক্রিম বা ঔষধ যা আমরা ত্বকের সুরক্ষার কথা ভেবে ব্যবহার করি, অনেকসময় সেসবের রিয়েকশনের জন্যও ত্বকের ব্রনের মত সমস্যা ছাড়াও আরও নানান রকমের সমস্যা তৈরি হয় । আর যেহেতু চারদিকে ভেজালের ছড়াছড়ি , আসল পন্য চেনাটাই দুষ্কর । একটু চোখকান খোলা রাখলেই আমরা কিন্তু আমাদের সব সমস্যার সমাধান হাতের কাছেই , বলতে গেলে নিজেদের ঘরেই পেয়ে যেতে পারি । তাই দামী পন্যের উপর ভরসা না করে প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক উপাদানে ভরসা রাখতে চেষ্টা করুন । উপকার খুব বেশি না পেলেও অন্তত কোন ক্ষতির মুখে পরতে হবে না ।


 


2020 All Rights Reserved | www.newsroombd.com.bd
+8801554927951 info@newsroom.com.bd