খেলাধুলা
৩২ দিন পর জামিন পেলেন সুপারস্টার
একটি দাতব্য সংস্থার আহ্বানে গিয়েছিলেন প্যারাগুয়েতে। তবে ঢুকতে গিয়ে দেশটির পুলিশের হাতে আটক হন জাল পাসপোর্ট বহনের অভিযোগে। এরপর জেলে কেটে গেছে মাস খানেক।
৩২ দিন জেলে কাটানোর পর অবশেষে জামিন পেয়েছেন ব্রাজিল কিংবদন্তি রোনালদিনহো। তবে পুরোপুরি মুক্ত হতে পারেন নি এখনো। প্যারাগুয়ের রাজধানী আসুনসিওনের একটি হোটেলে গৃহবন্দী অবস্থায় থাকতে হবে তাকে।
প্রায় ১৪ কোটি টাকায় (১.৩ মিলিয়ন পাউন্ড) জেল থেকে জামিন পেয়েছেন সাবেক বার্সা সুপারস্টার।
একটি দাতব্য সংস্থার আহ্বানে সাড়া দিয়ে প্যারাগুয়ে ঢুকতে গিয়ে দেশটির পুলিশের কাছে আটক হন রোনালদিনহো। জাল পাসপোর্ট বহনের দায়ে ৩২ দিন প্যারাগুয়ের জেলের ঘানী টানেন এই ব্রাজিল তারকা। যদিও রোনালদিনহোর দাবি, তার হাতে থাকা জাল কাগজপত্র আমন্ত্রণ জানানো প্রতিষ্ঠানই সরবরাহ করেছিল। এ নিয়ে তার আইনজীবী ও প্যারাগুয়ের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলির মধ্যে আইনি লড়াই চলে।
ঘটনায় পরে আটকের আরও অভিযোগ আনা হয় ব্রাজিলিয়ান বিশ্বকাপজয়ী এই ফুটবলারের বিরুদ্ধে। প্যারাগুয়ের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ বিভাগের সহযোগিতায় সাবেক বার্সেলোনা খেলোয়াড়ের প্রেসিডেনশিয়াল স্যুটে তল্লাশি চালিয়েছিল। রোনালদিনহো ও তার ভাই রবার্তোর বিরুদ্ধে জাল কাগজপত্র দেখিয়ে প্যারাগুয়ে প্রবেশের অভিযোগ করা হয়েছিল। দেশটি প্রবেশের সময় তারা যে কাগজপত্র দেখিয়েছিলেন, সেগুলো দেখে সন্দেহ হয়েছিল দেশটির অভিবাসন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের। এতেই কপাল পোড়ে রোনালদিনহোর।
রোনালদিনহোর আইনজীবী অ্যাডলফো মারিন দাবি করেছিলেন, পাসপোর্টের কাগজপত্র যে জাল সেটি জানতেন না তার মক্কেল। বার্সেলোনা ও এসি মিলানের সাবেক মিডফিল্ডারকে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত জেলে থাকতে হবে।
প্যারাগুয়ের আইন অনুযায়ী ছয় মাস ধরে তদন্তকাজ চালানো যায়। প্রথমে ছয় মাসের জেল দেওয়া হলেও এখন বাকি সময়টা রোনালদিনহো হোটেলে কাটাবেন। সে সময়ে তার আইনজীবীরা তাকে পুরোপুরি মুক্ত করার কাজে নিয়োজিত থাকবেন।
খেলাধুলা
৩২ দিন পর জামিন পেলেন সুপারস্টার
একটি দাতব্য সংস্থার আহ্বানে গিয়েছিলেন প্যারাগুয়েতে। তবে ঢুকতে গিয়ে দেশটির পুলিশের হাতে আটক হন জাল পাসপোর্ট বহনের অভিযোগে। এরপর জেলে কেটে গেছে মাস খানেক।
৩২ দিন জেলে কাটানোর পর অবশেষে জামিন পেয়েছেন ব্রাজিল কিংবদন্তি রোনালদিনহো। তবে পুরোপুরি মুক্ত হতে পারেন নি এখনো। প্যারাগুয়ের রাজধানী আসুনসিওনের একটি হোটেলে গৃহবন্দী অবস্থায় থাকতে হবে তাকে।
প্রায় ১৪ কোটি টাকায় (১.৩ মিলিয়ন পাউন্ড) জেল থেকে জামিন পেয়েছেন সাবেক বার্সা সুপারস্টার।
একটি দাতব্য সংস্থার আহ্বানে সাড়া দিয়ে প্যারাগুয়ে ঢুকতে গিয়ে দেশটির পুলিশের কাছে আটক হন রোনালদিনহো। জাল পাসপোর্ট বহনের দায়ে ৩২ দিন প্যারাগুয়ের জেলের ঘানী টানেন এই ব্রাজিল তারকা। যদিও রোনালদিনহোর দাবি, তার হাতে থাকা জাল কাগজপত্র আমন্ত্রণ জানানো প্রতিষ্ঠানই সরবরাহ করেছিল। এ নিয়ে তার আইনজীবী ও প্যারাগুয়ের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলির মধ্যে আইনি লড়াই চলে।
ঘটনায় পরে আটকের আরও অভিযোগ আনা হয় ব্রাজিলিয়ান বিশ্বকাপজয়ী এই ফুটবলারের বিরুদ্ধে। প্যারাগুয়ের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ বিভাগের সহযোগিতায় সাবেক বার্সেলোনা খেলোয়াড়ের প্রেসিডেনশিয়াল স্যুটে তল্লাশি চালিয়েছিল। রোনালদিনহো ও তার ভাই রবার্তোর বিরুদ্ধে জাল কাগজপত্র দেখিয়ে প্যারাগুয়ে প্রবেশের অভিযোগ করা হয়েছিল। দেশটি প্রবেশের সময় তারা যে কাগজপত্র দেখিয়েছিলেন, সেগুলো দেখে সন্দেহ হয়েছিল দেশটির অভিবাসন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের। এতেই কপাল পোড়ে রোনালদিনহোর।
রোনালদিনহোর আইনজীবী অ্যাডলফো মারিন দাবি করেছিলেন, পাসপোর্টের কাগজপত্র যে জাল সেটি জানতেন না তার মক্কেল। বার্সেলোনা ও এসি মিলানের সাবেক মিডফিল্ডারকে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত জেলে থাকতে হবে।
প্যারাগুয়ের আইন অনুযায়ী ছয় মাস ধরে তদন্তকাজ চালানো যায়। প্রথমে ছয় মাসের জেল দেওয়া হলেও এখন বাকি সময়টা রোনালদিনহো হোটেলে কাটাবেন। সে সময়ে তার আইনজীবীরা তাকে পুরোপুরি মুক্ত করার কাজে নিয়োজিত থাকবেন।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
একটি দাতব্য সংস্থার আহ্বানে গিয়েছিলেন প্যারাগুয়েতে। তবে ঢুকতে গিয়ে দেশটির পুলিশের হাতে আটক হন জাল পাসপোর্ট বহনের অভিযোগে। এরপর জেলে কেটে গেছে মাস খানেক।
৩২ দিন জেলে কাটানোর পর অবশেষে জামিন পেয়েছেন ব্রাজিল কিংবদন্তি রোনালদিনহো। তবে পুরোপুরি মুক্ত হতে পারেন নি এখনো। প্যারাগুয়ের রাজধানী আসুনসিওনের একটি হোটেলে গৃহবন্দী অবস্থায় থাকতে হবে তাকে।
প্রায় ১৪ কোটি টাকায় (১.৩ মিলিয়ন পাউন্ড) জেল থেকে জামিন পেয়েছেন সাবেক বার্সা সুপারস্টার।
একটি দাতব্য সংস্থার আহ্বানে সাড়া দিয়ে প্যারাগুয়ে ঢুকতে গিয়ে দেশটির পুলিশের কাছে আটক হন রোনালদিনহো। জাল পাসপোর্ট বহনের দায়ে ৩২ দিন প্যারাগুয়ের জেলের ঘানী টানেন এই ব্রাজিল তারকা। যদিও রোনালদিনহোর দাবি, তার হাতে থাকা জাল কাগজপত্র আমন্ত্রণ জানানো প্রতিষ্ঠানই সরবরাহ করেছিল। এ নিয়ে তার আইনজীবী ও প্যারাগুয়ের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলির মধ্যে আইনি লড়াই চলে।
ঘটনায় পরে আটকের আরও অভিযোগ আনা হয় ব্রাজিলিয়ান বিশ্বকাপজয়ী এই ফুটবলারের বিরুদ্ধে। প্যারাগুয়ের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ বিভাগের সহযোগিতায় সাবেক বার্সেলোনা খেলোয়াড়ের প্রেসিডেনশিয়াল স্যুটে তল্লাশি চালিয়েছিল। রোনালদিনহো ও তার ভাই রবার্তোর বিরুদ্ধে জাল কাগজপত্র দেখিয়ে প্যারাগুয়ে প্রবেশের অভিযোগ করা হয়েছিল। দেশটি প্রবেশের সময় তারা যে কাগজপত্র দেখিয়েছিলেন, সেগুলো দেখে সন্দেহ হয়েছিল দেশটির অভিবাসন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের। এতেই কপাল পোড়ে রোনালদিনহোর।
রোনালদিনহোর আইনজীবী অ্যাডলফো মারিন দাবি করেছিলেন, পাসপোর্টের কাগজপত্র যে জাল সেটি জানতেন না তার মক্কেল। বার্সেলোনা ও এসি মিলানের সাবেক মিডফিল্ডারকে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত জেলে থাকতে হবে।
প্যারাগুয়ের আইন অনুযায়ী ছয় মাস ধরে তদন্তকাজ চালানো যায়। প্রথমে ছয় মাসের জেল দেওয়া হলেও এখন বাকি সময়টা রোনালদিনহো হোটেলে কাটাবেন। সে সময়ে তার আইনজীবীরা তাকে পুরোপুরি মুক্ত করার কাজে নিয়োজিত থাকবেন।
আপনার মতামত লিখুন :